প্যারিস অলিম্পিক গেমস শেষের পরে ১৪ ই আগস্ট দেশে এসে পৌঁছান কুস্তিগীর ভিনেস ফোগট। খবর এরপর রবিবার তিনি তার গ্রাম হরিয়ানার ঝাঁঝরের বালালিতে পৌঁছান। ১৩ ঘন্টার এক বিরাট রোড শো করে তিনি ঘরে পৌঁছান। এই যাত্রাপথের বিভিন্ন জায়গায় তাকে নানাভাবে সম্মান দেখানো হয় পুরস্কার দেওয়া হয় ।তার গ্রাম থেকে তাকে সোনার পদক ও উপহার দেওয়া হয়েছে। এমন আবহে একটি খবর হঠাৎ করেই ছড়িয়ে পড়ে যে ফিনিশ পকেট কে নাকি বিপুল পরিমাণ অর্থের আর্থিক পুরস্কার দেয়া হয়েছে সব মিলিয়ে নাকি ১৬ কোটি টাকা আর পুরস্কার পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তাঁর স্বামী। ভুয়া খবর রটানোর কারণেতিনি একেবারে চটে লাল হয়ে গিয়েছেন। মেয়েদের ৫০ কেজি ফিক্সটাইল কুস্তিতে ফাইনালে উঠেছিলেন বিনেশ। লড়াই করে তিনি অলিম্পিকে কোয়ালিফাই করেন এরপর তিনি পৌঁছে যান ফাইনালেও। তবে ভাগ্য যেমন কোনো রকম কোনো ভাবে তাকে সহায়তা করল না।
নিয়ম মেনে ফাইনালে আগেই তার শরীরের ওজন করা হয় তার বডি ওয়েট বেড়ে যায় মাত্র ১০০ গ্রাম। ফলের নিয়মমাফিক তাকে ফাইনালের নামতেই দেয়নি আইওসি অর্থাৎ আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি। এরপর ভারতের তরফে ক্যাশ অর্থাৎ কোর্ট ফর আর্বিটেশন অফ স্পোর্টস এ আবেদন করা হয়। তবে সেই আবেদনেও সারা দেয়নি ক্যাস। ফলে কোন পদক না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হয় তাকে। কিন্তু দেশের মেয়েকে এরপরেও বিদেশ সম্মান দেয় সকল ভক্তেরা তার লড়াইকে ঘূর্ণিঝড়ানো হয় সব তরফি এমন অবহেল রটে যায় বিভিন্ন সংস্থা থেকে নাকি তাকে সবমিলিয়ে মোট ১৬ কোটি টাকার আর্থিক পুরস্কার দেয়া হয়েছে। এই খবর এই বিজয় চটেছেন ভিনেশ ফোগটের স্বামী। বিনাশের স্বামী সম্বির রাঠি জনসমক্ষে এই খবর যে সর্বই বা মিথ্যা তা জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়া সাইট একসে তিনি দাবি করেছেন দীনেশ ভোট কোনো সংস্থার থেকে কোন রকম আর্থিক পুরস্কার পান নেই কোন ব্যবসায়ী কোন কোম্পানি বা কোনো পার্টির তরফে তাকে কোনরকম আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হয়নি তোমরা সবাই আমাদের শুভাকাঙ্খী,্ষী তোমাদের আশা রাখবো না প্লিজ দয়া করে এই ধরনের মিথ্যা খবর আমাদের ক্ষতি করবে এটা সস্তার জনপ্রিয়তা পাওয়ার একটা উপায় মাত্র।












Discussion about this post