আগেই মেদ ঝরিয়ে ছিপছিপে চেহারায় হাজির হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সিক্রেট কি জানতে চাইলে সাংবাদিকদের রসিকতা করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বলতেন, ”রোজ লোকেদের এত গালমন্দ খাই- ওটাই ডায়েট”। কিন্তু আসল সিক্রেট জানা গেল এতদিন পর। সম্প্রতি তাঁর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে একটি স্টোরি দিয়েছেন তৃণমূলের নম্বর টু, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দেখা যাচ্ছে, পেশিবহুল দুই হাত৷ ঘামে ভেজা শরীর বুঝিয়ে দিচ্ছে জিমে শরীর চর্চায় ব্যস্ত তিনি। এই ছবিতে কার্যত চেনাই যাচ্ছে না তাঁকে। সাধারণত ধোপ দুরস্ত শার্ট-প্যান্ট বা ডেনিম জিন্সের ওপর সাদা ফতুয়া পরিহিত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে তাঁকে মেলানো মুশকিল। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজে পোস্ট করা অভিষেকের এই সেলফিই এখন সমাজমাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল। সকলের মুখেই একটা প্রশ্ন আচমকা কেন এই পোস্ট করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক?
ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের ইনস্টা স্টোরিতে শেয়ার করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তাঁর পরনে জিম ভেস্ট ও শর্টস। দু’হাতে জিম গ্লাভসের ফাঁকে ধরা রয়েছে আই-ফোন। তুলেছেন একটি মিরর-সেলফি। প্রথম দর্শনে অনেকেই চমকে যান, এটা আসল ছবি তো, নাকি এআই দিয়ে তৈরি করা! কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ভুল ভাঙে, অভিষেক নিয়েই এটা পোস্ট করেছেন। ফলে শুরু হয় নতুন জল্পনা, এটা কি তৃণমূল সাংসদের নিউ পুজো লুক? তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা যদিও এসব নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ, তাঁরা তাঁদের প্রিয় নেতাকে অন্য লুকে পেয়ে দেদার শেয়ার করছেন ছবিটি। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মাথায় ঘুরছে অন্য গল্প। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ মহলে যাঁরা থাকেন, তাঁদের কাছে এটা নতুন কিছু নয়। কারণ তাঁদের মতে অভিষেক বরাবরই খুব শরীর সচেতন৷ নিয়মিত শরীর চর্চাও করেন। কিন্তু কোনও দিন ব্যক্তিগত কোনও ছবি বা মুহূর্ত সমাজমাধ্যমে পোস্ট বা শেয়ার করেননি। তাহলে এবার কেন করলেন? ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, এর পিছনে গভীর এক পরিকল্পনা থাকতে পারে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের।
কেউ কেউ মনে করছেন, সম্প্রতি নেপালে যে জেন-জি আন্দোলন হল, তাতেই খেলা ঘুরে গেল ভারতের প্রতিবেশী ছোট্ট ওই পাহাড়ি দেশে। অভিষেক বুঝেছেন, জেন-জি বা প্রযুক্তির কোলে জন্মানো এই প্রজন্মের মধ্যে জনপ্রিয় থাকতে হলে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপে মাঝেমধ্যে এরকম লুকে আসতে হবে। বিশেষ করে যখন জিমে শরীর চর্চার মিরর সেলফি, বা একটু অন্য ধরণের লুকে আকৃষ্ট হয় জেন-জি প্রজন্ম। প্রসঙ্গত, এর আগে কলকাতা পুলিশের হাফ ম্যারাথনেও দৌড়তে দেখা গিয়েছিল অভিষেককে। ফলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, অভিষেক আসলে জেন-জি প্রজন্মের মধ্যেও নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছেন। তাই সচেতন ভাবেই শরীরচর্চার ফাঁকে নিজের এই পেশিবহুল ছবি প্রকাশ্যে আনলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post