লন্ডনে আওয়ামী লীগ একটি বড় মিছিল করেছে। তারা চেষ্টা করেছে গোটা বিশ্বকে জানান দিতে তাদের শক্তি সম্পর্কে। শুধু তাই নয়, এই মিছিলটিকে তুলনা করা হচ্ছে, ১৯৭১ সালের একটি মিছিলের সঙ্গে। যেটা ওই একই জায়গাতে হয়েছিল। আওয়ামী লীগের ওই মিছিলে হাজার হাজার মানুষের সমাগম লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে কি শেখ হাসিনা সত্যিই বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছেন? যেটার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিদেশের মাটি থেকে? অনেকে বলছেন, এই মিছিলের ফলে বিপদ ডেকে নিয়ে আসতে পারে দেশে থাকা আওয়ামী নেতাদের। কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা, চলুন আলোচনা করা যাক।
গতকাল লন্ডনে রালি ফর বাংলাদেশ, এই শিরোনামে একটি মিছিলের আয়োজন করেছিল সেখানকার আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা। তারা এই মিছিলটিকে তুলনা করছে ১৯৭১ সালে ৮ ই আগস্ট এর মিছিলের সঙ্গে। যেটা হয়েছিল ওই একই জায়গায়। ট্রাফালগার স্কোয়ারে এই দুটি মিছিলের তুলনা টেনে তুমুল ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। মিছিলের ভিডিও চিত্র সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আর সেখানেই দুটি মিছিল কে পাশাপাশি রেখে তুলনা করা হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে সেই মিছিলে বহু মানুষের সমাগম হয়েছে। এমনকি একটি বিশেষ মাধ্যমের পোস্ট দেওয়া হয়েছে, যেখানে লেখা যার যা রয়েছে তাই নিয়ে বেরিয়ে পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা।
অনেকে বলছেন, শেখ হাসিনা যদি এমন নির্দেশনা দিয়ে থাকেন, সেটা হতেই পারে। তবে যেহেতু সেটা সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং নজর এড়িয়ে যাবে না অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের। ফলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর জেরে সরকার আরো বেশি ধরপাকড় শুরু করবে। এমনকি সাধারণ আওয়ামীলীগ বলে চিহ্নিত যে সমস্ত নেতারা এখনও বাংলাদেশে রয়েছে, তাদের আটক করার চেষ্টা করবে। এর পাশাপাশি শেখ হাসিনার একটি অডিও ক্লিপ সামনে আনা হচ্ছে। যেখানে তাকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ওরা যদি মব করে, তবে আমরা গেরিলা অভিযান করব। আমাদের এর আগে গেরিলা অভিযানের অভিজ্ঞতা রয়েছে। হতে পারে, এই অডিও বার্তা অনেক আগের। কিন্তু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেখ হাসিনার দল অর্থাৎ আওয়ামী লীগ অনেক পুরোনো একটি রাজনৈতিক দল। শেখ হাসিনাও যথেষ্ট অভিজ্ঞ রাজনীতিক। ফলে কেন সাধারণ আওয়ামী সমর্থক বা দেশে থাকা নেতা, কর্মীদের কথা ভাবছেন না? কারণ তার দলের একম তৎপরতা দেখলে সরকারও লাগাম টানার চেষ্টা করবে। ফলে বিপদে পড়তে পারে তার দলই। তবে কি অন্য কোনও পরিকল্পনা রয়েছে শেখ হাসিনার? যেটা দীর্ঘদিন ভারতে বসে পরিকল্পনা করছেন তিনি? এমন নানা প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। এখন দেখার, শেষমেশ কি পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিংবা এরপর অন্তবর্তীকালীন সরকারের কোনও কড়া পদক্ষেপ নেয় কিনা সেটাও দেখার।












Discussion about this post