কাশ্মীরের পহেলগাঁও এর সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে ভারতের প্রত্যাঘাত। পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভয়ংকর এয়ার স্ট্রাক চালালো ভারতীয় বায়ু সেনা। বেছে বেছে পাকিস্তানি নটি জঙ্গি ঘাঁটিকে ধ্বংস করে দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। আর এর পরে পাকিস্তানি সেনা ও সরকারের তরফ থেকেও এসেছে পাল্টা হুশিয়ারি। আলপনা তুঙ্গে উঠছে এবার কি হলদিয়া ফোটে পাকিস্তানি ফাইটার জেট হামলা হতে পারে!
হলদিয়া বন্দর পশ্চিমবঙ্গের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর, কারণ কলকাতা বন্দর এর পর এই হলদিয়া বন্দরেই প্রতিনিয়ত পণ্যবাহী বিভিন্ন জাহাজ যাতায়াত করে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন এলাকায়। পাশাপাশি হলদিয়া বন্দরের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ছোট ছোট বহু ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে। কথা বলা যায় কলকাতা বন্দর এবং হলদিয়া বন্দর ভারতের ইন্ডাস্ট্রির পরিকাঠামোতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। এবার এই গুরুত্বপূর্ণ বন্দরটি যদি কোন রকম ভাবে বন্ধ হয়ে যায় অর্থাৎ পাকিস্তানের হামলার আচ পেয়ে যদি ভারত সরকারের তরফ থেকে সতর্কতা অবলম্বন করে, এই বন্দরটি বন্ধ করা যায় তাহলে ভারতকে অনেকাংশেই চাপে ফেলা যাবে। আর সেই জায়গা থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে পরিচিত হলদিয়া বন্দরে কোন রকম ভাবেই অরক্ষিত রাখা যাবে না কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে এই বন্দরটিকে রক্ষা করতে হবে ভারত সরকারকে।
অর্থাৎ যখন ভারত সরকারের তরফ থেকে মক ড্রিলের মাধ্যমে গোটা দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তখন মকদ্রিলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে এই হলদিয়া পোর্টের নাম উঠে আসছে। সেখানে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কিভাবে সচেতন থাকতে হবে নিরাপত্তা কতটা জোরদার করতে হবে এবং শত্রুপক্ষকে জিজ্ঞেস করতে ঠিক কি কি কৌশল অবলম্বন করতে হবে সেইগুলির উপর জোর দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত সরকার। ভারতের তরফে আশঙ্কা করা হচ্ছে যেহেতু এই হলদিয়া কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী বিভিন্ন দেশে এবং পাকিস্তানেও আদান-প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে যদি পাকিস্তানের তরফ থেকে কোনরকম হামলা চালানো হয় তবে ভারতের জন্য সেটা একেবারেই সুখকর নয়।
উল্লেখ্য যেভাবে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের পরেই পাকিস্তানের বিমান বাহিনীকে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছিল। একের পরে পাকিস্তানের দুটি বিমানকে গুলি করে নামানো হয়েছে কাশ্মীরে। অর্থাৎ ভারতের করা হুশিয়ারি পাকিস্তানি জঙ্গি খাঁটি গুলিকে যেমন ধ্বংস করা হবে তেমনি পাকিস্তানের তরফ থেকে যদি কোনরকম সন্ত্রাসবাদি দমনে বাধা সৃষ্টি করা হয় সেক্ষেত্রে কঠোর থেকে কঠোরতর পদক্ষেপ নেওয়া হবে ভারতের তরফে। অর্থাৎ এই হুশিয়ারি ফলস্বরূপই দেখা গেল সন্ত্রাসবাদ দমনে অপারেশন সিদুরের পর যখন বাধা সৃষ্টি করতে এসেছে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর তখনই ভারতীয় সেনার তরফে পাকিস্তানি দুটি বিমান বাহিনীকে গুলি করে নামানো হলো। ইতিমধ্যে শ্রীনগর বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে কোনরকম বিমান এই বিমানবন্দরে উঠানামা করতে পারবে না । সূত্র বলছে ভারতের যে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম রয়েছে সেটি পাকিস্তানি বিমান ধ্বংস করেছে। তার মধ্যে রয়েছে চীন থেকে আমদানিকৃত জেএফ ১৭ যুদ্ধবিমান। এই যুদ্ধবিমান এর মাধ্যমেই পাকিস্তানের তরফে হামলার ছক কষা হচ্ছিল আর সেই সময়ে ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মাঝ আকাশেই এটিকে ধ্বংস করে দেয়। অর্থাৎ এই ঘটনা থেকে পরিষ্কার যে ভারতের এই অপারেশনের পরে পাকিস্তানের তরফ থেকে কাউন্টার অ্যাটাক করা হয়েছিল। এমনকি প্রতিনিয়ত হামলার ছক কসছিল পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গুলি চালিয়ে আবার আকাশ পথে ও আর সেই কারণেই ভারত সরকারের তরফে ভারতীয় বিমান বাহিনীকে আগাম সর্তকতা ও প্রদান করা হয়েছিল। আর্থিক সেই ভাবেই দেখা গেল এই অভিযানের পরেই পাল্টা পদক্ষেপ নিতে আকাশ পথেই হানা দিয়েছিল পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান তবে শেষমেষ ভারতের সেনাবাহিনীর হাতে ধ্বংস হল সেই যুদ্ধবিমান। এবার ঠিক একইভাবে যদি জলপথে পাকিস্তান কোনরকম হামলা ছক কষে তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী কে আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে হলদিয়া বন্দরের মত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলি রক্ষার ক্ষেত্রে।












Discussion about this post