প্রায় ৮৫ বছর পুরনো উত্তরপাড়ায় অবস্থিত উত্তরপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়। ভগ্নদশা স্কুলের ডেভেলপমেন্টের জন্য বিধায়ক অর্থ বরাদ্দ করলেও এখনও ভগ্নদশায় স্কুল। মেরামত না হওয়ায় আতঙ্কে স্কুলের পড়ুয়া সহ স্কুল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারাও আশঙ্খা যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় বিপত্তি।
উত্তরপাড়া পৌরসভার কয়েকশো মিটার দূরেই অবস্থিত উত্তরপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়। প্রায় ৮৫ বছর পুরনো এই স্কুল ভগ্নদশায় পরিণত হয়েছে। স্কুলের যে ক্লাস ঘরে একদা ফিজিক্সের ল্যাব চলতো রমরম করে সেই ক্লাস ঘর আজ ভগ্নদশায় পরিণত হয়েছে। অন্যান্য ক্লাস ঘরের ভগ্নদশা থাকলেও পঠন পাঠন চলছে, মূলত স্কুলের ফিজিক্সের ল্যাবরেটরি ঘর প্লাস্টিক দিয়ে ঢাকা। ওই ক্লাস ঘরের ছাদের একাংশ ভেঙ্গে পড়েছে অনেক আগেই। তা এখনও মেরামত না হওয়ায় আতঙ্কে স্কুলের পড়ুয়া সহ স্কুল সংলগ্ন বাসিন্দারাও আশঙ্খা যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় বিপত্তি। গত কয়েক বছর আগে উত্তরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল বিধায়কের এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল স্কুল ডেভেলপ করার জন্য সেই স্মারক স্কুলের মধ্যে লাগানো আছে। কিন্তু স্কুল ডেভেলপমেন্টের কিছু আজও চোখে পড়ে না।
উত্তরপাড়া পৌরসভার কয়েকশো মিটার দূরেই অবস্থিত উত্তরপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়। প্রায় ৮৫ বছর পুরনো এই স্কুলের এমত অবস্থা দেখে অবাক এলাকার বাসিন্দা থেকে স্কুলের ছাত্রীদের অভিভাবকরা। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানালেন, স্কুল কতৃপক্ষকে জানিয়েও এখনও সুরাহা হয় নি, ঝড় বৃষ্টি হলেই আতঙ্ক আরো বেড়ে যায়।
পৌরসভার পৌরপ্রধান দিলীপ যাদব বলেন, স্কুলের স্পেশাল ডিপার্টমেন্ট থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। যেহেতু পৌরসভা এই দপ্তরের অনুমতিতে একটি ইটেন্ডার করা হয়েছে ওয়ার্ক অর্ডার করা হয়েছে, এমনকি যে টাকা ও টেন্ডার করা হয়েছে তার কমপ্লেইনস করা হয়েছে। বাকি টেন্ডার বা অর্থ বরাদ্দ হলে আবার কাজ শুরু করা হবে। পাশাপাশি পৌরপ্রধান আরো বলেন, তবে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য এটা স্কুল কর্তৃপক্ষ বা স্কুল শিক্ষা দপ্তর বলতে পারে আমার বলার কোন এখতিয়ার নেই। যেহেতু সরকার পৌরসভার মাধ্যমে টেন্ডার করায় তাই আমি এইটুকু বলতে পারি।
শ্রীরামপুর বিজেপি সংগঠনিক কমিটির সদস্য পঙ্কজ রাই কটাক্ষ করে বলেন, যে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী, শ্রমমন্ত্রী অথবা অন্যান্য জেলা সভাপতি থেকে বিধায়ক জেলে যেতে পারে, যে রাজ্যে শিক্ষকের উপরে লাঠিচার্জ হতে পারে সেখানে প্রশাসন থেকে কি আশা করা যায়। এমন কি উত্তরপাড়া বিধানসভার সরকারি স্কুল বন্ধের পথে কারণ এখানকার এম এলে এ, চেয়ারম্যান অথবা কাউন্সিলারা সরকারি স্কুলকে প্রাইভেট স্কুলের মত চালাচ্ছে, প্রাইভেট স্কুলের মত মাইনে নিচ্ছে। এরা সবাই মিলেমিশেই আছেন।











Discussion about this post