মাদারিহাট বিধানসভার উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই সক্রিয় হয়েছে সব রাজনৈতিক দলই। বুধবার তৃণমূল, বিজেপি ও বামফ্রন্ট প্রত্যেকেই নিজের নিজের মতো করে বৈঠক করে। বামেদের বৈঠকে উঠে এসেছে তাদের নির্বাচনি কৌশলের কথা। সেইসঙ্গে পায়ের তলায় মাটি পেতে তারা কংগ্রেসের হাত ধরতে খুবই আগ্রহী। জেলা বামফ্রন্টের আহ্বায়ক কিশোর দাসের কথায়, ‘তৃণমূল-বিজেপি বিরোধী ভোট যেন আলাদা না হয় সেজন্যই কংগ্রেসকে পাশে চাইছি আমরা।’ লোকসভা ভোটের মাস চারেক পরেই অধীরকে সরিয়ে শুভঙ্কর সরকারকে প্রদেশ কংগ্রেসের নতুন সভাপতি করা হয়েছে। সদ্য অধীরকে ঝাড়খণ্ডের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সিনিয়র পর্যবেক্ষক করেছে কংগ্রেস হাইকমান্ড। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, বাংলায় ৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের আসন্ন উপনির্বাচনে কি হাত-হাতুড়ির জোট বজায় থাকবে? নাকি বিধানভবন নতুন পথে হাঁটবে? তবে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করার ক্ষেত্রে নিজেদের ভাগের আসন ছাড়তে নারাজ বাম শরিকরা। এমনটাই সূত্রের খবর। যে জেলার অন্তর্গত ছয় বিধানসভা কেন্দ্র, সেই জেলার কংগ্রেস সভাপতিরাও চাইছে দল এককভাবেই প্রার্থী দিক। কারণ, একুশের ভোট ও গত লোকসভা নির্বাচনেও জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করে কোনও লাভ হয়নি। এদিকে, উপনির্বাচনে জোটের বিষয়ে বাম মূলত সিপিএম ও কংগ্রেসের শীর্ষনেতৃত্বের মধ্যে কোনও আলোচনাও হয়নি। বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের সঙ্গেও সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের বৈঠকের আপাতত কোনও সম্ভাবনা নেই। গতকাল বামফ্রন্ট ইতিমধ্যেই বৈঠকে বসে। সেখানেই জোট নিয়ে আলোচনা হয়। কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত জোট বার্তা পঠায়নি। এমন পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের জন্য অপেক্ষা করা নিয়ে দ্বিধা বিভক্ত বাম নেতারা। আর এহেন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আসন্ন উপনির্বাচনে একটি করে আসনে লড়াই করবে ছোট শরিক দলগুলি। তিনটি আসনে লড়বে পারে সিপিএম। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির অবশ্য বক্তব্য, ‘‘জেলা স্তরেও এখনও পর্যন্ত বামেদের তরফে কেউ যোগাযোগ করেনি। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই ৬টি বিধানসভা আসনের মধ্যে শুধু সিতাইয়ে আমরা লড়েছিলাম। আমাদের প্রথম প্রস্তুতি সেই আসনের জন্যই ছিল। আপাতত জেলা নেতৃত্ব ৬ আসনের জন্যই প্রস্তুতি নিয়ে রাখছেন।’’
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post