বছর ঘুরলেই নির্বাচন। তার আগে শাসক বিরোধী তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের বিজেপি শাসিত রাজ্যে গিয়ে হেনস্থার সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি ভাষা আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে জালি ভোটার নিয়ে প্রতিবাদে বিজেপি। এমনকি হিন্দুদের মিথ্যে মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে এদিন মিছিল করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মিছিল থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দাগেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন, এই জলটা বেরিয়ে গেলে, দুধটা রয়ে যাবে। এবং তার ভোটটা ২ কোটির নিচে নেমে যাবে। তাই তিনি ভয় পাচ্ছেন। এর সঙ্গে ভাষার কোনও সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশী মুসলমানরাও বাংলাতে কথা বলেন। রোহিঙ্গাদের কথার টান রয়েছে। ওরা বর্মা থেকে কক্সবাজারে থেকে, রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বাংলা শিখে এখানে বসবাস করছে। কিন্তু এগুলি হবে না। সব রাজ্যে পুশ ব্যাক করা হচ্ছে। এখানেও হবে বলে জানান তিনি। ঠিক কি বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শুনুন
এমনকি তিনি এসএইআর চান বলেও দাবি করেন। এদিকে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলা ভাষা নিয়ে ঝাঁপাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে ভাষা আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, মরার জন্য তৈরি। কিন্তু বাংলা ভাষার অপমান তিনি সহ্য করবেন না। এমনকি এই ইস্যুতে এদিন বীরভূমে পদযাত্রায় মুখ্যমন্ত্রী। এই নিয়ে কুনাল ঘোষ বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে বলেন, শুভেন্দু অধিকারী তে বলবে এত রোহিঙ্গা খুঁজছেন তো? দেখবেন গরমকালে যদি কেউ গরম টুপি পড়ে গরম মাফলার দিয়ে কালো রঙের জুব্বা পড়ে সানগ্লাস পড়ে নিজেকে লুকিয়ে রাখে, তবে সে রোহিঙ্গা হলেও হতে পারে।
ফলে একদিকে ভিন রাজ্যে বাংলা ভাষাভাষীদের ওপর অত্যাচারের ইস্যু আর অন্যদিকে রোহিঙ্গা ও ভূঁয়ো ভোটার নিয়ে সরব বিজেপি। বাংলায় যে ভোটের দামামা বেজে দিয়েছে সেটা স্পষ্ট।












Discussion about this post