বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস নাকি আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন। জানা যাচ্ছে, শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে যারা অংশ নিয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, চার পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান সংবাদিকদের বলেন, প্রধান উপদেষ্টাকে তিনি বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। দেশের প্রধান সমস্যা আইনশৃঙ্খলার অবনতি আর কোন অভিযান চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে? এমনকি এনসিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান বলেন, প্রধান উপদেষ্টাকে অবিলম্বে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে বলেছেন তারা। নির্বাচিত সরকার থাকলে দেশে সন্ত্রাস কমবে। অর্থাৎ প্রত্যেকে যখন বলছে, তাহলে হয়তো নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে বেশি দেরি নেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের। অর্থাৎ ৫ ই আগস্ট এর আগে ইউনূস খেলা শুরু করছেন।
তবে প্রশ্ন উঠছে, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম কোথায়? তিনি কেন সাংবাদিক সম্মেলন করলেন না? তবে কি নির্বাচনের সত্যিই আয়োজন হতে চলেছে? নাকি শুধুই ঘোষণা? রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল বলছে, নির্বাচনের ঘোষণা দিতে পারে, তবে বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে? সেটার বিষয়ে রাজনৈতিক মহল বলছে, আসলে বাংলাদেশে যেভাবে আইন শৃঙ্খলা অবনতি হয়েছে, তাতে মানুষের মনের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার ঘটছে। সেটিকে ঠান্ডা করার জন্যই এই ঘোষণা হতে পারে। অনেকে বলছে, ৫ ই আগস্ট এর আগে কিছু একটা ঘটে যেতে পারে। কারণ একটি খবর রয়েছে, ৫ ই আগস্ট কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ একটি পরিকল্পনা করছে। এটাতেই প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। আর সেই ভয় থেকেই প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের ঘোষণা দিতেই পারেন বলে খবর। প্রশ্ন এখানেও, নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হলেও, এই সরকারের আমলে কি একটি সুষ্ঠ নির্বাচন হওয়ার পরিবেশ রয়েছে? এমনকি এটাও বলা হচ্ছে, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করার পর, বলা হতে পারে, নির্বাচন হবার মতো পরিবেশ দেশে এখন নেই। ফলে ফের গড়িমসি করা হতে পারে। আসলে মহম্মদ ইউনূসের সরকার রাজনৈতিক দলগুলিকে ঘোল খাওয়াচ্ছেন। ফলে একটা সময়ের অপচয় হচ্ছে। এর থেকে বেশি কিছু নয়।












Discussion about this post