রাজ্যের রাজনৈতিক নেতাদের এখন পাখির চোখ ২০২৬। সব রাজনৈতিক দল নিজের নিজের ভঙ্গিতে শুরু করেছে নির্বাচনী প্রস্তুতি। রাজ্যের শাসকদল যেমন খুজে চলেছে ভুয়ো ভোটার তেমনই বিজেপির পক্ষে থেকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে সাংগঠনিক পদ।
রাজনৈতিক দল গুলির প্রধান লক্ষ্য থাকে নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়া। নির্বাচনের আগেই সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বরা নিজেদের সংগঠন আরো মজবুত করার লক্ষ্যে গ্রহণ করে একাধিক কর্মসূচি। ঠিক সেভাবেই রাজ্যের বর্তমান শাসক দল দলীয় কর্মীরা ভুয়ো ভোটার খোজার লক্ষ্যে ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে করছেন জনসংযোগ।
পাল্টা বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্যের প্রায় সমস্ত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পরিবর্তন করে নতুন সভাপতির নেতৃত্বে সংগঠনকে মজবুত করতে চাইছে। বিজেপি কলকাতা উত্তর শহরতলী সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন চণ্ডীচরণ রায়। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে রাজ্য রাজনীতিতেও সাংগঠনিক প্রভাব ফেলেছেন চণ্ডীচরণ। এবার বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব চণ্ডীচরণ রায় কে সভাপতি করে ২০২৬-এর নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে চাইছেন সাংগঠনিক জেলা জুড়ে। দলের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর দলীয় কর্মীদের সাথে নিয়ে দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে পুজো দিলেন দিলেন চণ্ডীচরণ সহ বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। পুজো শেষে দলীয় কর্মীদের হাতে মা কালীর প্রসাদ তুলে দিলেন নব নিযুক্ত সভাপতি।
এরপর চণ্ডীচরণ রায় বললেন, তাদের দলের প্রধান লক্ষ্য ২০২৬ এর নির্বাচন। যেভাবে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের উপর অত্যাচার ও নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে সেই বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরে দলীয় কর্মীদের সাথে নিয়ে ২০২৬ এর নির্বাচনে জয়লাভ করার লক্ষই প্রধান।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খুন হয়ে যেতে হয় ওসমান হাদিকে। তিনি ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন হত্যাকাণ্ডে তেতে...
Read more












Discussion about this post