সুন্দরবনের ছোট কলাগাছি নদীর উপর ২০০ মিটার লম্বা ও ১ মিটার চওড়া দুই ২৪ পরগণার যাতায়াতের একমাত্র বাঁশের সাঁকো বেহাল দশা। দীর্ঘদিনের বাঁশের সাঁকো সরিয়ে যদি একটি কংক্রিটের সেতুর দাবী ছিল পাড়াপার কারীদের। প্রশাসনকে জানিয়েও কাজ না হওয়ায় গ্রামবাসীরা চাঁদা তুলে সাঁকো মেরামতির উদ্যোগ।
বসিরহাটের সুন্দরবনের সন্দেশখালি ২নং ব্লকের ছোট কলাগাছি নদীর উপরে দীর্ঘদিন যাবৎ রয়েছে বাঁশের সাঁকো। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার করতে হয় দুই ২৪ পরগণার কয়েক হাজার গ্রামবাসীদের। ২০০ মিটার লম্বা ও ১ মিটার চওড়া সাঁকোর বর্তমান পরিস্থিতি একেবারেই বেহাল। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ও অসুস্থ রোগীদের নিয়ে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এই সাঁকো। সাঁকোর এক পারে উত্তর ২৪ পরগণার বেড়মজুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রামপুর বাজার, আকুঞ্জীপাড়া ও বাগদী পাড়া আর অপর পারে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার ক্যানিং ২ ব্লকের ১৮ বাকি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯ নম্বর কুমড়াখালী, লম্বা পাড়া, খেঁজুর পাড়া, ডাহারানি ও হেবিয়া। দুই ২৪ পরগণার সংযোগস্থল একমাত্র সাঁকো একেবারেই বেহাল দশায় পরিণত হয়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। নদীর দুই পারেই রয়েছে প্রশাসনের একাধিক দপ্তর। স্কুল, হাসপাতাল ও হাটবাজার এই সমস্ত জায়গায় যেতে গেলে একেবারেই জীবন হাতে করে পারাপার করতে হয়। মাঝে মধ্যেই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়েছে স্কুলের ছোট বাচ্চা সহ সাধারণ মানুষকে। দীর্ঘদিনের বাঁশের সাঁকো সরিয়ে যদি একটি কংক্রিটের সেতু করার। কিন্তু আজও পর্যন্ত পাকা তো হলোই না। বর্তমান যে বাঁশের সাঁকোটি রয়েছে তার রক্ষণাবেক্ষণের খরচ গ্রামবাসীদের চাঁদা তুলে সমাধান করতে হয়। বারবার প্রশাসনকে জানিয়ে কোনো কাজ না হওয়ায় গ্রামবাসীরা একরকম ভরসা ছেড়ে দিয়েছে।
গ্রামের সাধারন মানুষেরা জানাচ্ছেন, দুই পাড়ে দুটি পঞ্চায়েত রয়েছে প্রচুর সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে আশা কর্মী, চিকিৎসক থেকে শুরু করে একাধিক জরুরী বিভাগের মানুষজন এই সাঁকো ব্যবহার করতে হয়। তারপরেও নজর নেই প্রশাসনের। কবে হুঁশ ফিরবে একথা প্রশাসনে কোন আধিকারিক বলতে পারলেন না।
বেড়মজুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হাজী সিদ্দিকী মোল্লা বলেন, “সাঁকোটি বেহাল দশায় পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। সংস্কার হয় না বারবার প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তারপরেও প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। আমাদের পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এতো টাকার খরচ করার মতন সমর্থ্য নেই। তাই জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে একাধিক দপ্তরকে জানানো হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কোনো সুরাহার পথ পাওয়া যায়নি। আমি প্রশাসনকে বলবো দ্রুত ওই ব্রিজটি পাকাপোক্ত করা হোক।”
কয়েক মাস বাদে বিধানসভা ভোট, সেই সময় ভোট চাইতে ভোট ব্যবসায়ীরা ওই সাঁকো পেরিয়ে গ্রামে গ্রামে ভোট চাইতে যাবেন। যদি যান তাহলে কি আবার কংক্রিটের ব্রিজ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেবেন? না নীরব গ্রামবাসীদের উপর ঠান্ডা মাথায় কলে কৌশলে ভোট আদায় করবেন? সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে ওয়াকিবহাল মহল।
ুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুু
।। দুই ২৪ পরগণার সংযোগকারী বাঁশের সাঁকোর বেহাল দশা, সংকটে কয়েক হাজার সুন্দরবনবাসী ।।
সুন্দরবনের ছোট কলাগাছি নদীর উপর বাঁশের সাঁকোর বেহাল দশা, প্রশাসনকে জানিয়েও কাজ না হওয়ায় গ্রামবাসীরা চাঁদা তুলে সাঁকো মেরামতির উদ্যোগ নিলেন, প্রশাসন নিরব। বসিরহাটের সুন্দরবনের সন্দেশখালি ২নং ব্লকের ছোট কলাগাছি নদীর উপরে রয়েছে বাঁশের সাঁকো। এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয় দুই ২৪ পরগণার কয়েক হাজার গ্রামবাসীদের। আর সেই সাঁকোর বর্তমান পরিস্থিতি একেবারেই বেহাল। সাঁকোটি ২০০ মিটার লম্বা ও ১ মিটার চওড়া। এই সাঁকোর উপর দিয়ে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ও অসুস্থ রোগী নিয়ে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এইটি। সাঁকোর একপারে বেড়মজুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রামপুর বাজার, আকুঞ্জীপাড়া ও বাগদী পাড়া। অপর পারে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার ক্যানিং ২ ব্লকের ১৮ বাকি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯ নম্বর কুমড়াখালী, লম্বা পাড়া, খেঁজুর পাড়া, ডাহারানি ও হেবিয়া। তাই দুই ২৪ পরগণার সংযোগস্থল একমাত্র এই সাঁকো। আর সেই সাঁকোর একেবারেই বেহাল দশায় পরিণত হয়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। নদীর দুই পারেই প্রশাসনের একাধিক দপ্তর রয়েছে। স্কুল, হাসপাতাল ও হাটবাজার এই সমস্ত জায়গায় যেতে গেলে একেবারেই জীবন হাতে করে পারাপার করতে হয়। একাধিক সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়েছে স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চাদের ও সাধারণ মানুষকে। তারপরেও প্রশাসনের হেলদোল নেই। সাঁকোটি পচা বাঁশ ও পেরেকের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। নদীতে জোয়ার এলে সাঁকো কাঁপতে থাকে। সেই সময় পারাপার করতে গেলে ভয়ে কুঁকড়ে যান মহিলা ও শিশুরা। তাই গ্রামবাসীদের দাবি ছিল এই বাঁশের সাঁকো সরিয়ে যদি একটি কংক্রিটের সেতু করা যায়। কিন্তু আজও পর্যন্ত পাকা তো হলোই না। বরং বর্তমান যে বাঁশের সাঁকোটি রয়েছে তার রক্ষণাবেক্ষণের খরচ গ্রামবাসীদের চাঁদা তুলে সমাধান করতে হয়। বারবার প্রশাসনকে জানিয়ে কোনো কাজ না হওয়ায় গ্রামবাসীরা একরকম ভরসা ছেড়ে দিয়েছে। গ্রামের মানুষ জানাচ্ছেন, দুই পাড়ে দুটি পঞ্চায়েত রয়েছে প্রচুর সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে আশা কর্মী, চিকিৎসক থেকে শুরু করে একাধিক জরুরী বিভাগের মানুষজন এই সাঁকো ব্যবহার করতে হয়। তারপরেও নজর নেই প্রশাসনের। কবে হুঁশ ফিরবে একথা প্রশাসনে কোন আধিকারিক বলতে পারলেন না। তবে বেড়মজুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হাজী সিদ্দিকী মোল্লা বলেন, “সাঁকোটি বেহাল দশায় পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। সংস্কার হয়ই না বারবার প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তারপরেও প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। আমাদের পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এতো টাকার খরচ করার মতন সমর্থ্য নেই। তাই জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে একাধিক দপ্তরকে জানানো হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কোনো সুরাহার পথ পাওয়া যায়নি। আমি প্রশাসনকে বলবো দ্রুত ওই ব্রিজটি পাকাপোক্ত করা হোক।” কয়েক মাস বাদে বিধানসভা ভোট, সেই সময় ভোট চাইতে ভোট ব্যবসায়ীরা ওই সাঁকো পেরিয়ে গ্রামে গ্রামে ভোট চাইতে যাবেন। যদি যান তাহলে কি আবার কংক্রিটের ব্রিজ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেবেন? না নীরব গ্রামবাসীদের উপর ঠান্ডা মাথায় কলে কৌশলে ভোট আদায় করবেন? সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে ওয়াকিবহাল মহল।
বাইট ১: হাজী সিদ্দিকী মোল্লা, বেড়মজুর দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান।
বাকি বাইট সব দুই পাড়ের বাসিন্দাদের।












Discussion about this post