মন্দিরঘাট সংলগ্ন গোবদিয়া নদীরবাঁধ প্রায় ৩০ মিটার তলিয়ে গেল নদীতে, পড়ে রইলো বাঁধের কিছুটা অবশিষ্ট। কাকদ্বীপ মন্দির ঘাট এলাকায় এলাকাবাসী আশঙ্কা সত্যি করে ৩০ মিটার নদী বাঁধে ধ্বস। নির্দিষ্ট প্লান না থাকার কারণেই লক্ষ লক্ষ টাকা এইভাবে জলে চলে যাচ্ছে অভিযোগ গ্রামবাসীদের।
আবারও মন্দিরঘাট সংলগ্ন গোবদিয়া নদীরবাঁধ প্রায় ৩০ মিটার তলিয়ে গেল নদীতে, পড়ে রইলো বাঁধের কিছুটা অবশিষ্ট, পরিদর্শনের সেচ দপ্তর এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা, আতঙ্কে নদী বাঁধে পাহারায় এলাকাবাসী। প্রায় এক মাস আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কাকদ্বীপ বিধানসভার রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মন্দিরঘাটে একটি দোকান সহ নদীবাঁধ ধ্বস নিয়ে নদী গর্ভে তলিয়ে যায়। সেই নদী বাদ জরুরী ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়, গোবদিয়া নদীর নদী পাড়ের ধারে বাঁশের খাঁচার মধ্যেই ইট দিয়ে ফেলা শুরু হয়, সেচ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার এর প্লান অনুযায়ী মূল নদীবাঁধ থেকে কিছুটা দূরে শুরু হয় রিং বাঁধ তৈরির কাজ। তখনই হঠাৎ নদীবাঁধে ধ্বস নামে। এলাকাবাসীর দাবি কাজের নির্দিষ্ট প্লান না থাকার কারণেই লক্ষ লক্ষ টাকা এইভাবে জলে চলে যাচ্ছে।
এই বিষয়ে বিজেপির বিরোধী দলনেতা হরেন্দ্র নাথ কামিলা প্রস্তুতকারী সংস্থা দিকে আঙ্গুল তোলেন তিনি বলেন প্রথম থেকে এই কাজ দুর্নীতিতে ভরে গেছে এই প্রস্তুতকারী সংস্থা সবসময় মানুষের চোখে ফাঁকি দিয়ে নিম্নমানের কাজ করছে, প্রশাসনের এই কাজের দিকে লক্ষ্য রাখা উচিত।
প্রধান সমীরন দাস বলেন ৩০ মিটার রিং বাঁধের কাজের বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে এই বাঁধটি দৈর্ঘ্য প্রস্থ চওড়ায় আরো বাড়ানো হবে বলে আলোচনা চলছে।বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন কোন রকম দুর্নীতি হয়নি।












Discussion about this post