বিজেপির রাজ্য সভাপতি ঘোষণা করা হয়েছে। যা ঘিরে প্রবলভাবে আলোচনা চলছে রাজনৈতিক আঙিনায়। এমনকি বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এদিকে শাসক শিবিরে উল্টো ছবি। রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে তার নিজের দলের কর্মী সমর্থকরা কালো পতাকা দেখিয়ে তাকে বিদায় করল। অনেকে আবার বলছেন, তৃণমূলের দুর্দশা শুরু হয়ে গিয়েছে। যেখানে তাকে জুতো, লাঠি, ঝাটা দেখালো তার দলের কর্মী, সমর্থকরা, সেই এলাকা তার নিজেরই। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের এই ঘটনা। এমনকি এলাকার মানুষও ক্ষোভে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে খুব উগরে দিলেন মন্তেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান। শুনুন তার বক্তব্য
এই বিক্ষোভের পর সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী এলাকা ছাড়েন। তার বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ একের পর এক অভিযোগ জানাতে থাকেন। যদিও তারই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর।
অনেকে বলছেন, রাজ্যে একদিকে বিজেপির মাটি শক্ত হচ্ছে, আর তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি আলগা হচ্ছে। অন্তত এই ছবিগুলি তার প্রমাণ করে। এদিকে কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমাজ মাধ্যমে ভুয়ো ও মিথ্যা তথ্য পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আর এতে কটাক্ষ করে বিরোধীরা বলছেন, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ চাইছেন। এখন দেখার, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তরফে কোনও অ্যাকশন নেওয়া হয় কিনা।












Discussion about this post