বাংলাদেশে বড়সড় যে পরিকল্পনা চলছে সেটা বলাই বাহুল্য। রাষ্ট্রপতিকে সরানোর চক্রান্ত করা হচ্ছে। কারণ ইউনূস সরকার যা যা করতে চান, তাতে বাধা দেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। অন্যদিকে সেনাপ্রধানও রয়েছেন টার্গেটে। কিন্তু বর্তমান যা ছবি সামনে আসছে, ছাত্রনেতাদের কার্যকলাপে এতটাই অতিষ্ঠ মানুষ, তাতে তারা ফ্লপ করছেন। তাদের মুখোশ খুলছে ধীরে ধীরে। বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এর উল্টোদিকে শেখ হাসিনার ফেরার রাস্তা মজবুত হচ্ছে। এদিকে ঘুম উড়েছে ইউনূসের।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে আওয়ামী লীগের ফেরার জন্য সমস্ত জটিলতা কেটে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। অন্যদিকে আমেরিকা নিজেদের স্বার্থে বাংলাদেশের বিষয়ে ট্রাম্পের ডিগবাজি ভারত ভালোভাবে নেয়নি। সেই কারণে ভারত ট্রেড বিলটি আটকে দিয়েছে। ভারত আমেরিকার সঙ্গে কোনও ট্রেড বিল করবে না। তবে আমেরিকা চোখ রাঙিয়েছে। কিন্তু ভারত ভয় পায়নি। বরং নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থেকেছে। এদিকে স্টিল ও রেয়ার আর্থ মিনারেল এর জন্য আমেরিকা চাপে পড়ে গিয়েছে। এদিকে চীনে পাওয়া গেলে তারা আমেরিকাকে দেবে না। সেই কারণে আমেরিকাকে ভারতের সঙ্গে ডিফেন্স ডিল করতে হবে। এই এই ডিফেন্স ডিলের সঙ্গে বাংলাদেশ নীতিটি ঝুলে রয়েছে। এখানে ভারত যা চাইবে তাতে আমেরিকাকে সমর্থন করতে বাধ্য। এবার ভারত যদি কোনও একশন নেয়, তবে আমেরিকা এতে জড়াবে না বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি তাতে, দেশের সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। ছাত্র নেতারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত যাচ্ছেন। এমনকি বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত চলছে মব কালচার। গণপিটুনি, গণধর্ষণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিচারের নামে চলছে প্রহসন। যার লাগাম টানতে ব্যর্থ ইউনূস সরকার। তবে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেই দিকেই যদি এগোই পরিস্থিতি, তবে আওয়ামী লীগের দেশে ফিরতে সময়ের অপেক্ষা। মত ওয়াকিবহাল মহলের।












Discussion about this post