কার্সিয়াংয়ের রাস্তায় দেখা মিলল বিলুপ্ত প্রায় কালো চিতার। ফলে বাংলার পাহাড় কি বন্যপ্রাণীদের বিচরণের ক্ষেত্রে আদর্শভূমি হয়ে উঠছে! শুরু হয়ে গিয়েছে জোড় চর্চা। অস্বীকার করছেন না বন বিভাগ। সোমবার কার্সিয়াংয়ের বাগোড়ার জঙ্গল সংলগ্ন রাস্তায় মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় বন্দি হয় কালো চিতাটি। জঙ্গল লাগোয়া রাস্তাটি দিয়ে যাওয়ার সময় এক বায়ুসেনা কর্মীর নজরে আসে, ঝোপের মধ্যে কিছু একটা নড়াচড়া করছে। বিষয়টি ভালো মতো বুঝতে তিনি মোবাইল ফোনের ক্যামেরা সচল করেন। মুহূর্তের মধ্যে তাঁর চোখের সামনে দিয়ে রাস্তা পারাপার করে কালো রঙের জন্তুটি। এরপরেই তিনি পরিচিত এক বনাধিকারিককে জানান। পাশাপাশি, ভিডিওটি শেয়ার করেন, যা ভাইরাল হতে বেশি সময় লাগেনি। সত্যতা যাচাই করতে খোঁজখবর শুরু করে দেন বনকর্তারা। মঙ্গলবার ঘটনাটি সত্য বলে জানানোও হয় কার্সিয়াং বন বিভাগ। ডিএফও দেবেশ পান্ডে জানান, ‘বিভিন্নভাবে খোঁজখবর করে ভিডিওটির সত্যতা পাওয়া গিয়েছে। একটি না একাধিক কালো চিতা ওই এলাকায় রয়েছে, তারও খোঁজ চলছে। এর আগেও গিদ্দা পাহাড় এলাকায় কালো চিতার দেখা মিলেছিল।’ ফলে কার্সিয়াংয়ে কালো চিতার প্রজনন ঘটছে কি না, তা নিয়েও খোঁজ শুরু হয়েছে বন দফতর।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post