দেওঘরে আটকে প্রধানমন্ত্রী। যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিল্লিগামী বিমানে। দেওঘর বিমানবন্দরে আটকে রয়েছে বিমানটি। সেই কারণে মোদির দিল্লি ফেরায় বিলম্ব দেখা দিয়েছে। ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা ভোটের প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি। এদিন জামুই ও দেওঘরে সভা করেন তিনি। প্রচার সেরে ফিরছিলেন দিল্লিতে। যে বিমানে দিল্লিতে ফিরে আসার কথা ছিল মোদীর, দেওঘর বিমানবন্দরে সেই বিমানেই যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছে। মাঝ আকাশেই যান্ত্রিক গোলযোগ বুঝতে পারেন বিমান চালক। সঙ্গে সঙ্গে জরুরি ভিত্তিক দেওঘর বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর বিমান অবতরণ করানো হয়। যার ফলে বেশ কিছুক্ষণ ওই বিমানবন্দরেই দাঁড়িয়ে ছিল বিমান। এই দেরি হওয়ার কারণে উড়ানে দেরি হয়েছে বলে এএনআই সূত্রের খবর। এরপর বিমানের পরীক্ষা করা হয়। এদিকে শুক্রবারই দেওঘর থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় কপ্টারে ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হয় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে। এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল বা এটিসির তরফে কংগ্রেস নেতা কপ্টারকে ওড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। গোড্ডা থেকে অন্তত ১৫০ কিলোমিটার দূরে চাকাইতে মোদীর জনসভা ছিল। কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে বিধি ভেঙে রাহুলের কপ্টারকে ওড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। ৪৫ মিনিট পরে রাহুলের কপ্টার ওড়ে। প্রসঙ্গত, এদিন দেওঘরের আগে বিহারের জামুই পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে আদিবাসী সম্প্রদায়ের অবদানকে স্বীকৃতি না দেওয়ার জন্য কংগ্রেসের সমালোচনা করেন। কারও নাম না নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,’স্বাধীনতা লাভের সব কৃতিত্ব শুধুমাত্র একটি দল এবং একটি পরিবারকে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল’। তাঁর প্রশ্ন,’আমাদের দেশ যদি একটি পরিবারের কারণে স্বাধীনতা পায়, তাহলে বিরসা মুন্ডা কেন ‘উলগুলান’ আন্দোলন শুরু করলেন? দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অনেক আদিবাসী নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন’।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post