বৃহস্পতিবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। তরুণ তৃণমূল নেতা অভিষেকের সুস্থতা ও উন্নতির কামনা করেছেন দলের প্রবীণ নেতারা। রাজনৈতিক মহলে আলোচিত এই উদীয়মান তারকা ইতিমধ্যেই দক্ষতার ছাপ রেখে চলেছেন, যা ভবিষ্যতে তাঁর নেতৃত্বকে আরও পরিণত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। কুণাল লেখেন, “মমতাদির পর একদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবেন অভিষেক। মমতাদি ঘরানার সময়োপযোগী ধারক ও বাহক অভিষেক। যতদিন আমি তৃণমূলে থাকব, ততদিনই অভিষেক আমার নেতা।” অভিষেকের সুস্থতা কামনা করে কুণাল লিখেছেন, ‘রাত পোহালেই @abhishekaitc এর জন্মদিন। খুব ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক, চোখের সমস্যাটা একদম ঠিক হয়ে যাক।’ সঙ্গে লিখেছেন, ‘কম বয়সেই যোগ্য নেতৃত্বের যে ছাপ অভিষেক রাখছে, সময়ের সঙ্গে তা আরও ব্যাপকতর হতে থাকুক।’ জানিয়েছেন, ‘আমি নিজে সক্রিয় রাজনীতিতে থাকি বা না থাকি, এই উদীয়মান তারকার উপর গুরুত্ব-সহ নজর রাখবই। বয়সে ছোট, কিন্তু যতদিন আমি তৃণমূলে সক্রিয় থাকব, ও আমার নেতা। তার বাইরে স্নেহ করি, ভালোবাসি।’ বৃহস্পতিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। তার আগে দলের গুরুত্বপূর্ণ এক নেতার এহেন পোস্ট নিঃসন্দেহেই তাৎপর্যপূর্ণ, বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাই। একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা এর মধ্য়ে লিখে দিয়েছেন কুণাল। সেটা হল সেই বহুল চর্চিত আলোচনা, সময়ের নিয়মে মমতাদির পর একদিন বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী হবেন অভিষেক। তবে এক্ষেত্রে কুণাল অবশ্য় কোনও সালের কথা উল্লেখ করেননি। কেবল ভাসিয়ে দিয়েছেন একটা বাক্য। এমনিতেই তৃণমূলের আদি-নব্য দ্বন্দ্ব যে বর্তমান, তা কারোর অজানা নয়। ফলে অভিষেককে মমতার উত্তরসূরি হিসেবে মেনে নিতে কী কেউ বিরোধিতা করছেন দলের মধ্যেই? যদিও তৃণমূলের তরফে কুণালের এই পোস্টের কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post