একুশের মঞ্চে উঠেই ইউপি-তে দুর্দান্ত সাফল্যের জন্য সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবকে অভিনন্দন জানান তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বলেন, ‘আপনার সঙ্গে আমি একমত। বিজেপি আন্দোলন করে পারে না, তাই এজেন্সি, নির্বাচন কমিশন, মিডিয়াকে অপব্যবহার করে চমকে ধমকে দিল্লিতে ক্ষমতায় এসেছে। এই সরকার বেশিদিন টিকবে না’। পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, ‘তৃণমূলের বুকে রক্ত থাকতে, বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাবো না’। এরপরই সুর চড়ান তৃণমূল নেত্রী। ‘যাঁরা নির্বাচিত হয়ে মানুষকে সেবা দেবেন না তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখব না’ একুশের মঞ্চ থেকে বার্তা মমতার। এবার বিরোধী কম, একুশের সমাবেশ থেকে কর্মীদেরই বেশি বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ‘দলে বিত্তবান নয়, বিবেকবান চাই। কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ যেন না পাই’, ২১-এর সভামঞ্চ থেকে সাংসদ-বিধায়ক সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের কড়া বার্তা মমতার। ‘অভিযোগ পেলেই অ্যাকশন নেওয়া হবে।’ ‘অন্যায়ের সঙ্গে কোনও আপোস নয়’, সাফ বার্তা দলনেত্রীর’।
প্রসঙ্গত, এবারের লোকসভা ভোটে বঙ্গে তৃণমূলের ফলাফল তুলনামূলকভাবে ভালো হয়েছে। উনিশের তুলনায় চব্বিশে আরও বেশি আসনে জয় পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। কিন্তু এই সাফল্যের মাঝেও কাঁটা হয়ে রয়েছে মালদহের ফলাফল। এই জেলায় এবারও দাঁত ফোটাতে পারেনি শাসক শিবির। আর তা নিয়ে আক্ষেপের সুর ঝরে পড়ল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। একুশে জুলাই শহিদ দিবসের মঞ্চে এনিয়ে মুখ খুললেন তিনি। যাঁরা তৃণমূলকে সমর্থন করেননি, ভবিষ্যতে তাঁরা সমর্থন করবেন বলে আশা তাঁর। এদিন বাংলাদেশ প্রসঙ্গ শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। এদিকে চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল বাংলাদেশ। সেই আবহেই একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে বাংলাদেশ নিয়ে বড় বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে কিছু বলার এক্তিয়ার আমার নেই। যা বলার, কেন্দ্র সরকার বলবে। তবে, আপনাদের কোনওরকম সহযোগিতার দরকার হলে, আমি পাশে আছি’। তাঁর সংযোজন, ‘অসহায় মানুষ যদি বাংলার দরজায় কড়া নাড়ে, আমরা নিশ্চয় তাঁদের আশ্রয় দেব’।












Discussion about this post