হাসপাতালের ঢুকে দাদাগিরি। প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ক্যানিং মহকুমার হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার। অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার সৌরভকুমার দাসের অভিযোগ, এক পঞ্চায়েত সদস্য ও বহিরাগতদের নিয়ে এসে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন হাসপাতালের চুক্তিভিত্তিক সাফাইকর্মী এবং নিরাপত্তা রক্ষীদের একাংশ। বহিরাগতদের সঙ্গে এনে হাসপাতালেই খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ডিউটি করতে নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে CMOH-কে চিঠি দিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার। অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারের অভিযোগ, ডিউটি রস্টারে রদবদল হলেও চুপ করে থাকা, কাউকে না জানিয়ে একজনের ডিউটি অপরজন করা, কাজে না এলেও বেতনের বিলে সই করা, ওয়ার্ডে আয়াকে ঢুকতে দেওয়ার মতো. একাধিক ক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টি করা হয় তাঁর ওপরে। কিন্তু মাথানত না করায় এদিনের হুমকি। চিঠিতে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের নামে অভিযোগ জানিয়েছেন সহকারী সুপার। অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিক। প্রসঙ্গত, আরজি কর-কাণ্ডের পর সেখানকার কয়েক জন চিকিৎসক এবং পড়ুয়ার বিরুদ্ধে ‘থ্রেট কালচার’ বা ‘হুমকি সংস্কৃতি’ চালানোর অভিযোগ এনেছিলেন জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশ। তাঁদের সেই অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়। সেই আবহেই এ বার প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হল ক্যানিং হাসপাতালের সহকারী সুপারকে।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post