‘অনেক ঘাটের জল খেয়েছি। পাঙ্গা নিতে এসো না, চুড়ি পরে বসে নেই!’ গত সেপ্টেম্বরে নাম না করে বীরভূমের ‘বাঘ’ অনুব্রত মণ্ডলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা,জেলা পরিষদের সভাপতি কাজল শেখ। এবার নাম না করে অনুূব্রতকে নিশানা করে জেলায় গোষ্ঠী রাজনীতি করার গুরুতর অভিযোগ আনলেন তিনি। শুক্রবার কোর কমিটির সদস্য তথা সভাধিপতি কাজল শেখ জানিয়েছেন, ‘‘দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনিই ছয়জনের কোর কমিটি ঠিক করেছেন। এর পরে কমিটির সংযোজন বা বিয়োজন প্রসঙ্গে কারও কোনও কথা বলা সমীচীন নয়। দলনেত্রী যা ঠিক করবেন সেটাই সকলের মেনে চলা উচিত। এ নিয়ে কোনও বিতর্ক হওয়া উচিত নয়। কোর কমিটির একমাত্র সিদ্ধান্ত নেবেন তিনিই। নির্দেশিকা মেনেই সকলের চলা উচিত।’’ যদিও অনুব্রত জানিয়েছেন, ‘‘সবাই একসঙ্গে চললেই আমার মনে হয় ভালো হবে। কোর কমিটি তো নতুন কিছু নয়। আগেও ছিল, আমি দিদিকে বলে কোর কমিটি তৈরি করেছিলাম। আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেককে জানিয়ে কোর কমিটির বাড়ানোর প্রস্তাব জানাব।’’ অনুব্রতের এই মন্তব্যের মাধ্যমে দলের অভ্যন্তরে একটি নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। এদিকে, তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ এই পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “এটা দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই সবকিছু দেখছেন। বীরভূমে দলের ফল ভালো হয়েছে, তাই সেখানে সবাই তাদের কথা দলের কাছে বলবে।” প্রসঙ্গত, জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের গত দুবছরের অনুপস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি আট সদস্যের কোর কমিটি গঠন করেন। প্রথম পর্যায়ে কোর কমিটিতে দুই সাংসদ শতাব্দী রায় এবং অসিত মাল থাকলেও, লোকসভা নির্বাচনের আগেই তাঁদের বাদ দিয়ে ছয়জনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়। নতুন কোর কমিটিতে রয়েছেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, সভাধিপতি কাজল শেখ, বিকাশ রায়চৌধুরি, অভিজিৎ সিংহ এবং সুদীপ্ত ঘোষ।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post