এবার আয়ুষ্মান ভারত ও স্বাস্থ্যসাথীর ফারাক নিয়ে ক্লাস নিলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, আমার হৃদয় অত্যন্ত ভারাক্রান্ত যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার মানুষের সঙ্গে মিথ্য়ে কথা বলছেন। আয়ুষ্মান ভারতে একাধিক লাল ফিতের ফাঁস রয়েছে। নানা ধরনের ব্যাপার রয়েছে। এটা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়। এরপর তিনি তিনটি পয়েন্টের পাশে লাল দিয়ে কাটা দাগ দিয়েছেন। বুধবার এ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অর্ধেক টাকা যে রাজ্য সরকারকে দিতে হয়, সে কথা চেপে যাওয়া হচ্ছে। অথচ নানা শর্ত থাকায় এই প্রকল্পের সুবিধা অর্ধেক মানুষই পাবেন না। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করেছেন, তার সুবিধা সব শ্রেণির মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সেই কারণেই স্বাস্থ্যসাথীকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’’ শাসক দলের মতে, আয়ুষ্মান ভারতের তুলনায় স্বাস্থ্য সাথী বেশি কার্যকর। কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বেশ কয়েকটি দিক। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা অবশ্য সবাই পান না। আর্থিক ভাবে দুর্বল শ্রেণি এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত পরিবার কেবল এই সুবিধা পান। তবে হ্যাঁ ৭০ বছরের বেশি বয়সীদের আয়ুষ্মান প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও ভেদাভেদ কেন্দ্র রাখছে না। উপভোক্তাদের অনেকের মতে, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে গোড়ার দিকে যে সমস্যাগুলো ছিল, এখন তা অনেকটাই কমে গেছে। কলকাতার প্রায় সমস্ত বেসরকারি হাসপাতাল স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে চিকিৎসা করাচ্ছে। হার্টে অস্ত্রোপচার, পেস মেকার বসানো ইত্যাদি হরওয়াকত হচ্ছে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post