সিসিটিভিতেও কাটমানির অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর। রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলিতে নিরাপত্তার জন্য বসানোর কাজ চলছে। সেই সিসিটিভির টেন্ডারেই দুর্নীতির অভিযোগে সরব বিরোধী দলনেতা। সিসিটিভির খরচ অনেক বেশি ধার্য করা হয়েছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দাবি শুভেন্দুর।এক্স হ্যান্ড্লে শুভেন্দুর প্রশ্ন, ‘অভয়ার জন্য ন্যায়-বিচারের নামেও তোলামূলের কাটমানি উপার্জনের পন্থা?’ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য অভিযোগে আমল দেয়নি। দু’টি সরকারি নথির ছবি পোস্ট করে তাঁর বক্তব্য, দরপত্রে ধার্যমূল্য অনুযায়ী, ঝাড়গ্রাম সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে একটি সিসিটিভি লাগানোর জন্য খরচ ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৪০০ টাকা। একই ভাবে আরামবাগের প্রফুল্লচন্দ্র সেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজে প্রতিটি সিসিটিভি-র জন্য খরচ পড়ছে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৭৪ টাকা! তাঁর মন্তব্য, ‘গোটা রাজ্যের মানুষ জানেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকার সীমাহীন দুর্নীতির পাঁকে নিমজ্জিত। কিন্তু এই অবিশ্বাস্য চমকে দেওয়া দরপত্র সব দুর্নীতিকে ছাপিয়ে গিয়েছে।’ যদিও তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেছেন, “স্বাস্থ্য প্রশাসন পুরো কাজটা করছে। ওঁর নির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ থাকলে নির্দিষ্ট জায়গায় জমা দিন। হাওয়ায় কথা বলে লাভ নেই!” শুভেন্দু অধিকারীর এই পোস্টের পাল্টা পোস্ট করে তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য লিখেছেন, ‘বিজেপির সরকার ২০১৬ সালে মহারাষ্ট্রের গ্রেটার মুম্বইতে মাত্র ৬০০০ টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর জন্য ৯৫০ কোটি টাকার বরাত দিয়েছিল। অর্থাৎ বিজেপির সরকার প্রতি সিসিটিভি ক্যামেরা পিছু খরচ করেছিল ১৫ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৩৩ টাকা করে। ভেবে দেখুন, একটি ক্যামেরার পেছনে খরচ প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা! তাদের দলের নেতা আজকে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে? লজ্জা নেই? পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চাওয়ার আগে মহারাষ্ট্রের উত্তর দিন।’
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post