লাগাতার কর্মবিরতির পরে আমরণ অনশন। প্রতিবাদী জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবিগুলিকে সর্বান্তঃকরণে এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে সমর্থন করার পরেও তাঁদের আন্দোলনের পথ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। ধর্মতলায় আমরণ অনশনে শুরু করেছেন জুনিয়র ডাক্তারদের ৭ জন। তবে গত ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই অনশন নিয়ে সরকারের তরফ থেকে এতদিন ‘নীরব’ থাকা হয়েছে। তবে চতুর্থীর সন্ধ্যায় অবশেষে আন্দোলনকারী চিকিৎসদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। সোমবার ‘রাত্তিরের সাথী’ প্রকল্প নিয়ে রিভিউ মিটিং ছিল। এরপর নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। এদিন মুখ্যসচিব বলেন, ‘আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে মেডিকেল কলেজগুলির উন্নয়ন এবং সংস্কারমূলক সব কাজই প্রায় শেষ হয়ে যাবে। সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো থেকে ডিউটি রুম, শৌচাগার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ চিকিৎসকদের দাবির মধ্যে যেগুলো ছিল, তার সব কাজই প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি রেফারেল সিস্টেম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী ১৫ তারিখ থেকে সে নিয়ে একটি পাইলট প্রজেক্ট শুরু হচ্ছে।’ প্যানিক বাটনের দাবি ১ নভেম্বর থেকে পূরণ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব। উল্লেখ্য, চিকিৎসকদের ১০ দফা দাবির অন্যতম ছিল কেন্দ্রীয় ভাবে রোগী রেফারেল সিস্টেম চালু করা। সেই বিষয়ে মনোজ পন্থ জানান, ১ নভেম্বর থেকে পুরো রাজ্যে ওই সিস্টেম চালু হবে। তিনি বলেন, ‘আগামী ১৫ তারিখ থেকে রেফারেল ব্যবস্থার একটি পাইলট প্রোজেক্ট চলু হচ্ছে। আর ১ নভেম্বরের থেকে তা গোটা রাজ্যে কার্যকর করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।’
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post