আরজি কর মেডিক্যালে নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের সুবিচারের দাবিতে আন্দোলন ছেড়ে রাজ্যবাসীকে উৎসবে ফিরতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার সেই মন্তব্যের আরও একবার তুমুল সমালোচনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে ঘটনার ঠিক একমাসের মাথায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ‘আমরা সব ছেড়ে দিয়েছি, একমাস হয়ে গেল। আমি অনুরোধ করব পুজোতে ফিরে আসুন। উৎসবে ফিরে আসুন। প্রতিদিন রাতে আপনারা যদি রাস্তায় থাকেন, এলাকায় অনেক বয়স্ক মানুষ আছেন। মাইক লাগালে তাঁদের ঘুমের অসুবিধে হয়। যার জন্য নিয়ম আছে পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডে, ১০টার পর মাইক বাজানো যাবে না, বা এর বেশি জোরে মাইক বাজানো যাবে না। তাসত্বেও আমরা সব ছেড়ে দিয়েছি।’
মমতা মনে করালেন, এই মুহূর্তে প্রধান কাজ হোক, নির্যাতিতা, তাঁর পরিবারকে বিচার দেওয়া। ফাস্ট ট্র্যাক্ কোর্টে বিচার করে তাড়াতাড়ি বিচার হোক। বাংলার বিরুদ্ধে একতরফা বদনাম হচ্ছে বলেও এদিন ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এরপরই দুর্গাপুজোর সম্পর্কে মমতার সংযোজন, ” যদি কেউ নিতে না চান, ঠিক আছে। নতুন যে আবেদন এসেছে তাদের দিয়ে দেবেন। নতুন অনেক আবেদন আমাদের কাছে এসে পড়ে রয়েছে। সবাইকে হয়তো একসঙ্গে দিতে পারব না। কারণ, টাকাটা বেড়ে অনেকখানি হয়ে গিয়েছে।” নবান্নের সভাঘরে বৈঠকে তিনি বললেন, “১ মাস ১ দিন হয়ে গিয়েছে এবার উৎসবে ফিরুন। সিবিআই তদন্ত শেষ করুক দ্রুত। আমরা অ্যাডমিনিস্ট্রেশন মিটিং করি বছরে দু’তিনটে ধরে। কিন্তু ইলেকশন এর জন্য অনেক ডেভলপমেন্ট কাজ হয়না। বাংলা নদীমাতৃকা দেশ। অনেক সময় সাইক্লোন হয়। গঙ্গায় ভাঙন আসে, মালদায় একটা ব্রিজ ভেঙে গিয়েছে।” মমতা আরও বলেন, “phe কে বলব পাইপগুলো লাগাতে গিয়ে যে রাস্তা গুলো খারাপ করেছেন সেইগুলো আগে ঠিক করুন। Pwd কে বলব, যতক্ষণ না রাস্তাগুলো ঠিক করবেন ততক্ষণ টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেব। আপনাকে রাস্তাটা ভাল করতে হবে। গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে বড়ো ট্রাক যাবে না। পুলিশ অনেকে সময় ছেড়ে দেয়। আমি ডিজিকে বলছি, এই গল্প যদি হয়, তাহলে তাদের উপর দায় বর্তাবে।”












Discussion about this post