ফের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারা। হুগলির উত্তরপাড়ায় একটি রক্তদান শিবির অনুষ্ঠানে গিয়ে বিস্ফোরক শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমি সরকারের কাছে আবেদন করবো হাসপাতালে সব লাইভ স্ট্রিমিং হয়৷ কোন ডাক্তার কি কাজ করছে, পেশেন্টদের ঠিকমত চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছে সে সব যেন আমরা দেখতে পাই। এমনকি সবকিছু পেশেন্ট পার্টিও যেন দেখতে পায়৷ নিজেরা হাসপাতালে কাজ করবে না, রোগীদের বড় বড় নার্সিংহোমে পাঠিয়ে দেবে। কিন্তু কোন সিনিয়র ডাক্তার এই পথে যায়নি। তারা জানে মানুষের পরিষেবা তাদের কাছে বড়। হঠাৎ করে কয়েকজন ছেলে মেয়ে বিপ্লব আরম্ভ করল। সব বন্ধ করে দেব। বাংলাদেশে হয়েছিল না! ভাবলো ১৪ দিন এরকম ভাবে নাচ গান করলেই, রাস্তায় ছবি আঁকলেই ভাবলো ১৪ তলায় উঠে সরকার গঠন করে দেবে এসব হয় নাকি।’ তৃণমূল সাংসদ আরো বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে আর অন্য কোন রাজনৈতিক দল নেই। সিপিএমকে দেখতে পান কোথাও? নির্বাচন হয় একটু নাটক করে, কেউ গান করে। গিটার বাজালে চলে গেল। আর কোথাও কিছু নেই। বিজেপিরতো হাল খারাপ। লিখে রাখুন ২০২৬ বিজেপি ৩০ টাও সিট পাবে না। যাঁরা ওদের পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দিন জাগো, রাত জাগো, বিশ্ব জাগো করল তাঁরা যায় না। সেই লোকেরা যায় না।’
উপলক্ষ্য ছিল ওয়াকফ আইনের বিরোধিতা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে যা হল সেটা তার থেকেও বড় কিছু। যেখানে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন...
Read more
Discussion about this post