আরও একবার বেফাঁস মন্তব্যে বিতর্কে জড়ালেন বিজেপি সাংসদ-অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। আরজি কর কাণ্ডে যখন গোটা দেশ উত্তাল, তখন ফের বিতর্কিত মন্তব্য করে চর্চায় মান্ডির বিজেপি সাংসদ অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। কৃষক আন্দোলনে বাংলাদেশের মতো অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেন মান্ডির বিজেপি সাংসদ। এখানেই শেষ নয়। কঙ্গনার আরও দাবি, কৃষক আন্দোলনের সময় দেশে খুন, ধর্ষণের মতো ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছিল। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল বেধে গিয়েছে। গতকাল এক্স হ্যান্ডেলে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কঙ্গনা রানাওয়াতকে বলতে শোনা যায়, ‘কৃষক আন্দোলনের নামে ভারতেও বাংলাদেশের মতো অরাজকতা তৈরি হতে পারত৷ কৃষকদের সাহায্য নিয়ে বহিরাগত শক্তিরা আমাদের ধ্বংস করার পরিকল্পনা করছে৷ আমাদের দলীয় নেতৃত্বের দূরদৃষ্টি না থাকলে এই পরিকল্পনা সফল হত৷’এর পরই এই বিতর্কে কঙ্গনার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে বিজেপি৷ দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘কৃষক আন্দোলনকে নিয়ে বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত যে মন্তব্য করেছেন তা দলের বক্তব্য নয়৷ বিজেপি এই মন্তব্যকে কোনওভাবেই সমর্থন করে না৷ দলীয় নীতি নিয়ে কথা বলার জন্য কঙ্গনা রানাওয়াতের কোনও অনুমোদন বা এক্তিয়ার নেই৷ সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিজেপি সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস এবং সবকা প্রয়াসের প্রতিশ্রুতি পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ।’ পাঞ্জাবের সিনিয়র বিজেপি নেতা হারজিৎ গারেওয়াল কঙ্গনাকে এ ধরণের উস্কানিমূলক মন্তব্য না করার পরামর্শই দেন। তিনি বলেন, কৃষকদের বিষয়ে কথা বলা কঙ্গনার বিষয় নয়, কঙ্গনার বক্তব্য ব্যক্তিগত। এদিকে কঙ্গনার সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র খুনের হুমকি পেলেন অভিনেত্রী। উদ্বিগ্ন অভিনেত্রী নিরাপত্তা চেয়ে দ্বারস্থ হলেন পুলিসের। অভিযোগ শিখ সম্প্রদায়ের চরমপন্থী সংগঠন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতকে হত্যার হুমকি দিয়েছে।কীভাবে কোথা থেকে হুমকি এলো তা নিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে পাঞ্জাব, মহারাষ্ট্র, হিমাচল প্রদেশ।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post