“আপনারা ১ হলে, আমরা ১০০। তৃণমূল বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়বে না। আমাদের আসন আরও বাড়বে। আপনারা গরিবের অধিকার কেড়ে নেন। আমরা তাদের হৃদয়ে স্থান দিই”। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কলকাতায় এক সমাবেশে ভাষণ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বক্তৃতায় তিনি কার্যত দাবি করলেন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের আসন আরও বাড়বে। সেই আবহেই তাঁর কথায় উঠে এল নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রসঙ্গ। ভোটার তালিকায় ‘কারচুপি’করার অভিযোগে চার জন রাজ্য সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করতে হয়েছে। রাজ্য সরকার না চাইলেও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের চাপে তা করতে হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নবান্নের এ হেন সংঘাতের আবহেই মুখ্যমন্ত্রী একটি বিশেষ বার্তা নজর কেড়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘একটা ললিপপ সরকার বিডিও, এসডিও, ডিএম, এসপিদের ভয় দেখাচ্ছে। বলছে চাকরি খেয়ে নেব, নয় জেলে পুরে দেব। নির্বাচন কমিশন আসে আর যায়, তার পরে কিন্তু রাজ্য সরকার থাকে। গায়ের জোরে এ সব হবে না’’। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, মুখ্যমন্ত্রী ধরেই নিয়েছেন এসআইআর হলে তাঁর এবার জেতা অনেকটাই কঠিন হয়ে যাবে। তাই আগেভাগেই ভোটার তালিকায় নিবিড় সমীক্ষা বা সরাসরি নির্বাচনের কাজে যারা সবচেয়ে বেশি অবদান রাখেন তাঁদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়ে রাখলেন। ভাবখানা এমন আমার সরকার ফের ক্ষমতায় এলে বুঝে নেব। সেই সঙ্গে বিজেপির উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ভান্ডার আমাদের কাছেও আছে। যেমন লক্ষ্মীর ভান্ডার আছে, তেমন আপনাদের দুর্নীতির ভান্ডার আছে। খুলে দেব, ফাঁস করে দেব। নবান্নের একাধিক কর্তার বক্তব্য, কমিশনের ‘চাপ’-এর ফলে প্রশাসনিক মহলে একটা প্রবল শঙ্কার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। এটা মুখ্যমন্ত্রীও জানেন। তাই সেই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে প্রশাসক মমতা বার্তা দিলেন রাজ্য়ের ডিএম-এসপিদের। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মুখ্যমন্ত্রী নির্দিষ্ট কয়েকটি পদের কথা উল্লেখ করলেও আসলে তিনি সার্বিক ভাবে রাজ্য প্রশাসনকেই বার্তা দিতে চেয়েছেন।
এদিনের ছাত্র পরিষদের মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল কর্মীদেরও বার্তা দেন। তিনি বলেন, “সারা ভারত থেকে পাঁচশো দল নিয়ে এসেছে বিজেপি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করছে কার কার নাম বাদ দেওয়া যায়। কেউ সার্ভে করতে এলে, কখনও নিজের তথ্য দেবেন না। আধার কার্ড করে রাখুন, মাস্ট করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিনি এও জানিয়ে দেন এবার প্রধানমন্ত্রীদের নিয়ে তিনি একটি বই লিখবেন। তাঁর কথায়, আমি আটবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলাম। কখনও রেলমন্ত্রী, কখনও কয়লা, কখনও নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রক সামলেছি। অনেক প্রধানমন্ত্রী দেখেছি। এবার একটা বই লিখব। কে কেমন ছিলেন। যাকে যেমন দেখেছি, তা নিয়ে লিখব। সব তো লেখা যাবে না। বইমেলায় বেরবে বইটা।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post