ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনের পর গত ৮ আগস্ট ক্ষমতায় এসেছে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন দীর্ঘ স্বৈরশাসনে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসপ্রায়, আইনশৃঙ্খলা ও বিচারব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় লুণ্ঠনে অর্থনীতিও বিপর্যস্ত। অন্যদিকে হাসিনার ক্ষমতা অবসানের পর মানুষের মধ্যে জেগে উঠেছে রাষ্ট্র সংস্কার ও অর্থনীতি পুনর্গঠন করে একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের ব্যাপারে বিপুল আশা ও উদ্দীপনা। অভ্যুত্থানকারী ছাত্র-জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা তাই অনেক, যা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সভা-সেমিনার, মিছিল-সমাবেশ, সংবাদমাধ্যমে লেখালেখি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনার মধ্য দিয়ে উঠে আসছে। অন্তর্বর্তী সরকার দেশের মানুষের এই বিপুল প্রত্যাশা পূরণ করতে কতটা সক্ষম? সম্প্রতি ক্ষমতায় থেকে ১০০ দিন পূরণ করেছে ইউনূস সরকার। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে খামতি রয়েই গিয়েছে এই সরকারের। এদিকে বিগত কয়েকমাস ধরে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ফাটল চওড়া হচ্ছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। সীমান্ত এলাকাগুলিতে দুপুরের পর থেকেই সেনার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্যেই পদত্যাগ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান। তারপর বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হয় নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ চিন্ময় প্রভু। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাঁকে। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে জাতীয় পতাকা অবমাননা ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে মামলা রয়েছে। জানা যাচ্ছে, এবার এই আবহেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিকল্প পথের কথাও ভাবছে ভারত। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, উত্তর-পূর্ব ভারতের অসম-মনিপুর সংলগ্ন বাংলাদেশ সীমান্তে বিপুল সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে বাংলাদেশের চট্টোগ্রাম জেলা সংলগ্ন সীমান্তের কাছেই প্রায় ৩৫,০০০ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের দিকে তাক করা হয়েছে পিনাকা গাইডেড মিসাইল। যার রেঞ্জ ৭০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার। প্রয়োজনে পরমানু অস্ত্র বহনেও সক্ষম এই ক্ষেপনাস্ত্র। ইতিহাসে প্রথমবার বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের এই বিপুল সেনা মোতায়েন নিঃসন্দেহেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ইউনূস সরকারের। অর্থাৎ বাংলাদেশকে চারিদিকে ঘিরে ফেলছে ভারত। যা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউনূসের। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের আগের পরিস্থিতি ঠিক হতে না হতেই কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের কট্টরপন্থী মুসলিমরা সেদেশে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছিল। এমনকি এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সাম্প্রদায়িক বলে আখ্যায়িত করে চরম হুঁশিয়ারিও দিয়েছিল। না হলে ইসকন ভক্তদের ধরে ধরে হত্যা করারও হুমকি দেয় তারা। বিষয়টি নিয়ে ভারত ও আমেরিকার সাহায্যের আবেদন জানান ইসকনের এক সদস্য। কট্টরপন্থী মুসলিমদের সামাজিক মাধ্যমে হুমকির পরই আতঙ্কিত হয়ে এই আবেদন জানান তাঁরা। এমন অবস্থায় চুপ করে বসে নেই নয়াদিল্লিও। সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ভারত বিরোধীতা নিয়ে ইতিমধ্যেই কড়া বার্তা দিয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে সেই প্রতিক্রিয়া পেতেই আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে ইউনিসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমর্থিত মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলি। ভাঙচুর চলছে একাধিক মন্দিরে। যা নিয়ে আতঙ্কিত বাংলাদেশের হিন্দুরা। নৌসেনার ডুবোজাহাজ আইএনএস আরিঘাট থেকে পরমাণু অস্ত্র বহনক্ষম ক্ষেপনাস্ত্রের উৎক্ষেপন করল। বিশাখাপত্তনমে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করেছে নৌসেনা। ভারত ছাড়াও আমেরিকা, রাশিয়া এবং চীনের কাছে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র বহনক্ষম ডুবোজাহাজ রয়েছে। পরমাণু অস্ত্র বহনকারী সেই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৫০০০ কিলোমিটার। গত আগস্টে ভারতীয় নৌসেনায় অন্তর্ভুক্তি হয় পরমাণু অস্ত্র বহনক্ষম ডুবোজাহাজ আইএনএস আরিঘাট। কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র জলের নীচ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা কৌশলে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এই ক্ষেপণাস্ত্র ৩,৫০০ কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ক্ষেপণাস্ত্রটি ১২ মিটার দীর্ঘ এবং ওজন ১৭ টন। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির বিশেষত্ব হলো, এটি রাডারের মধ্যে সহজেই আসে না। মিসাইলটিকে শিগগিরই আইএনএস আরিহান্ট শ্রেণিরর পরমাণু সঞ্চালিত ডুবোজাহাজে যুক্ত করা হবে
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post