এবার দুর্গা পুজোয় কি কলকাতায় মানুষ ঠাকুর দেখতে বেরোবে না? মন্ডপে মণ্ডপে বসে আড্ডা মারাও কি নিষিদ্ধ? সম্প্রতি কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এদিকে এই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে জোড়া মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। সিপি র বিজ্ঞপ্তির বয়ান ঘিরে প্রবল বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে আইনজীবীদের মধ্যেই। আরজি করের প্রতিবাদে এখন থেকেই আন্দোলন, মিছিল বন্ধ করে নাগরিক দের নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ অতি সক্রিয়তা দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ। সিপি’র নির্দেশ অনুযায়ী, শহর কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কলকাতা পুলিশের থানা এলাকায় ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ জনের বেশি একত্রে চলাফেরা, দাড়িয়ে থাকা, জমায়েত করা যাবে না। ফলে দুর্গাপুজোয় কলকাতা শহরে আদেও মানুষের জমায়েত রাজ্যে চায় কি না তাই নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিভ্রান্তির ক্ষেত্রে প্রথমত, হেয়ার স্ট্রিট, বউ বাজার, ও হেড কোয়ার্টার ট্রাফিক গার্ড এলাকা, যা মূলত ধর্মতলা কেন্দ্রিক, সেই এলাকায় পাঁচজনের বেশি জমায়েত করা যাবে না বলে নির্দেশে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির আরেক অংশে ‘সিটি অফ কলকাতায়’ এই নির্দেশ কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। আবার এই নির্দেশের কপি শহরের সব থানা ও সব ডিভিশনাল কমিশনারের অফিসে নোটিস বোর্ড, কলকাতা পুলিশের অফিসে প্রচার করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতা পুরসভার অফিসেও বিজ্ঞাপন করতে বলা হয়েছে। সিপির বিজ্ঞপ্তিতে এই সময়ের মধ্যে শহর কলকাতায় আন্দোলনের নামে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ হতে পারে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া খবরের উল্লেখ করা হয়েছে। যা নিয়ে বিতর্ক আরো মাথা চাড়া দিয়েছে। এদিন সিপিএম এর ছাত্র ও মহিলা সংগঠন এবং চিকিৎসকদের জয়েন্ট ফোরাম এই বিজ্ঞপ্তি খারিজের দাবিতে এদিন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের এজলাসে আবেদন করে। শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post