আগামী রবিবার ১০ নভেম্বর সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নিতে চলেছেন ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। সোমবার থেকে প্রধান বিচারপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বারাখাম্বা রোডের মডার্ন স্কুলের প্রাক্তনী তথা বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। দেশের ৫১ তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন আগামী সোমবার। তার আগেই নিজের রোজকার একটি অভ্যাস ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। আর সকালে হাঁটতে বেরোবেন না তিনি। কিন্তু, কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নিতে হল দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতিকে?কারণ ইতিমধ্যেই তাঁর ছবি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হতেই বাড়তি নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক প্রশাসন। দেশের হবু প্রধান বিচারপতি নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া বাইরে না বেরোন, প্রশাসনের তরফে অনুরোধ করা হয়। এমনকী প্রাতঃভ্রমণে একজন নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে যেতেও বলা হয়েছিল। তা শুনে নিজে অস্বস্তিতে পড়ে যান বিচারপতি খান্না। এভাবে নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে মর্নিং ওয়াকে রাজি ছিলেন না তিনি। শেষমেশ প্রাতঃভ্রমণ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাঁকে।উল্লেখ্য, চার দশকেরও বেশি সময় আইনি পেশার সঙ্গে যুক্ত বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। ১৯৮৩ সালে দিল্লির তিস হাজারি কোর্টে আইনজীবী হিসাবে প্র্যাকটিস শুরু করেন তিনি। ২০০৫ সালে তিনি দিল্লি হাই কোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত হন। এক বছর পরেই দিল্লি হাই কোর্টের স্থায়ী বিচারপতি পদে উন্নীত হন তিনি। ২০১৯ সালের ১৮ জানুয়ারি বিচারপতি খান্নাকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত করা হয়।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post