দুর্যোগ কাটিয়ে ছন্দে ফিরছে শহর কলকাতা। মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে যে শহর একপ্রকার কোমায় চলে গিয়েছিল, সেই শহর ফের জেগে উঠেছে। বহু মণ্ডপ এখনও জলের তলায়। পুজো কমিটির কর্তারা ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে মণ্ডপ চত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে বালতি-ঝাড়ু নিয়ে নেমে পড়েছেন। বুধবার তৃতীয়া। তৃতীয়া থেকে শুরু হয়ে যাবে প্যান্ডেল হপিং। তবে শাস্ত্র মতে পুজো শুরু হয় ষষ্ঠীর দিন থেকে। ওই দিন দেবীর বোধন। এই সব পুজোর খবরের মধ্যে লুকিয়ে থাকে এমন এক পুজো যে পুজো বাকিদের থেকে আলাদা। আলাদা হওয়ার সংগত কারণও রয়েছে। সেটাই তুলে ধরব এই প্রতিবেদনে।
তেমন এক পুজো কলকাতার ট্যাংরা অঞ্চলের শীল লেনের দুর্গোপুজো সেই অন্যপুজোর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। টানা ১৯ বছর ধরে দাস বাড়িতে পুজো হচ্ছে এক পক্ষকাল ধরে। দাস বাড়ির পুজো বলে খ্যাতি। দেবী পুজিত হন কন্যা রূপে। প্রতিদিন সকালে দেবীকে দেওয়া হয় গরম জল, সঙ্গে বেলকাঠ। দেবীপক্ষ থেকে থেকে শুরু হয়েছে, চলবে ষষ্ঠী পর্যন্ত। দেবীকে দুপুরে ও রাতে দেওয়া ভোগ। দুপুরে অন্নভোগ, রাতে লুচি। ষষ্ঠীর পর থেকে ভোগের তালিকার বদল ঘটবে। অন্নভোগে থাকবে সবজি, হরেক রকমের মিষ্টি, দেওয়া হবে মরসুমি ফল। সন্ধ্যায় প্রতিদিন নিয়ম করে আরতি। সন্ধ্যায় দেবীকে দেওয়া হবে লুচি, নারকেল নারু, মিষ্টি, হালুয়া, সিঙারা, তরকারি। এই বাড়িতে প্রথা মেনে আদ্রা নক্ষত্রে শুরু হয়ে গিয়েছে পুজো। চলবে শুক্লা নবমী পর্যন্ত।
বর্তমানে দাস বাড়ির ছেলে প্রসেনজিৎ দাস পুজোর দায়িত্ব পেয়েছেন। সঙ্গে পেয়েছেন ডাক্তার দিদি মৌমিতাকে। শত ব্যবস্ততার মধ্যেও ভাই-বোন পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর। তাই, পুজোর কটা দিন তাদের সামনে শুধুই দেবী দশভূজা। এবার তুলে ধরা যাক কেন এই পুজো আর পাঁচটা পুজো থেকে ব্যতিক্রমী।
প্রথমত এখানে অষ্টমীতে ভোগ হয় না। ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় আমন্ত্রণ অধিবাস। সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত মহাপুজো। কুমারীপুজো হয় নবমীতে। সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত চালকুমড়ো বলি হয়। দশমীতে পান্তা ও কচুর লতি ভোগ হিসেবে দেবীকে দেওয়া হয়। রাত্রের বাড়ির পরিবার যেমন শুতে যান, পরের দিন ঘুম থেকে উঠে মুখ-হাত-পা জল দিয়ে ধৌত করেন, দেবীর ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয় না। বাড়ির কর্তা প্রসেনজিৎ দাসের কথায়, শাস্ত্রে সাতটি কল্প রয়েছে, যেখান থেকে দুর্গাপুজো শুরু করা যেতে পারে। প্রথম কল্প বলছে আদ্রা নক্ষত্রে দেবীর বোধন হবে। হোম হয়, ভোগ দেওয়া হয়। পুজো হয় ষোড়শপচারে।
সারজিস আলম নাসিরউদ্দিনরা বিএনপিকে হুমকি দিচ্ছে এক মাঘে শীত যায় না। তারা আবার আন্দোলোন করে বিএনপিকেও আওয়ামীলীগের মত দেশ ছাড়া...
Read more












Discussion about this post