বড়মা বলতে আমরা সকলে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটির বড়মা কেই বুঝি। কিন্তু রয়েছে ১৩ হাত বিশিষ্ট আর এক বড়মা। যাকে দেখতে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করেন। এই মা – ই যেন সোদপুরের বড়মা। সোদপুর মুক্তি সংঘের ১৩ হাতের কালী পুজো এবছর ৭৫ বছরে পদার্পন করল। সাবেকিয়ানার আদলে পূজিতা এই দেবী ১৩ হাত বিশিষ্ট। চারটি হাতের পাশাপাশি দেবীর বাকি ৯ টি থাকে কোমরে। গলায় রয়েছে মুণ্ডমালা। আকাশ সমান এই মা কালীর উচ্চতা ২৫ ফুট।লোকমুখে কতিথ এই মা খুব জাগ্রত। কোনো ভক্ত মন থেকে কিছু চাইলে মা তাকে নিরাশ করেন না।
শিল্পী পলাশ পালের হাতে সেজে ওঠেন সোদপুরের বড়মা। অন্য বাকি কালী প্রতিমার থেকে এই ১৩ হাত বিশিষ্ট প্রতিমা আলাদা হলেও মায়ের পুজো হয় পুরোনো রীতি রেওয়াজ মেনেই। আর এই ১৩ টি হাত – ই দেবীর বিশেষ আকর্ষণ। পুজো যে সময় শুরু করা হয় তখন পুজো হতো ছোট করে। সময়ের সাথে সাথে বদল এসেছে পুজোয়। ছোট পুজো এখন বড় আকার নিয়েছে। পুজো প্রবীণদের দ্বারা শুরু হলেও সময় বদলেছে। এখন পুজোর দায়িত্ব কাঁধে তুলেছে নবীনরা।
শক্তির দেবীর পুজোয় এবং আলোর এই উৎসবে মুক্তি সংঘের কালীপুজোয় গোটা সোদপুর, মধ্যমগ্রাম এবং পানিহাটি থেকে দর্শনার্থীরা আগত হন। মুক্তি সংঘের পুজো ঘিরে নামে মানুষের ঢল। সোদপুরের এই বড়মা অর্থাৎ মুক্তি সংঘের সাবেকিয়ানার এই সু – উচ্চ মা কালী এবং মায়ের অপূর্ব রূপ সাথে ঢাকের আওয়াজ এবং ঝাড়বাতি যেন হারমানায় চারিদিকে এতো থিমের পুজো, জাঁকজমক এবং চাকচিক্যকে। ভক্তি ও বিশ্বাসের টানে প্রতি বছর মায়ের কাছে ছুটে আসেন ভক্তরা। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও তার অন্যথ্যা হয়নি। কালী পুজোর আগের দিন অর্থাৎ রবিবার সন্ধ্যা থেকেই মায়ের দর্শন পেতে ভিড় জমান দর্শনার্থীরা। এই বছর পুজোকে কেন্দ্র করে রয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন।












Discussion about this post