তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে শোকজ করল নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের চিঠির জবাব দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না করার অভিযোগ খারিজ করল। তৃণমূলের অভিযোগের ২০ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানাল কমিশন। ঘটনার সূত্রপাৎ তালড্যাংড়ায়। সেখানে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে আপত্তিজনক কথা বলার অভিযোগ ওঠে সুকান্তের বিরুদ্ধে। ৭ নভেম্বর সুকান্ত মজুমদার পুলিশকে বলেছিলেন, ব্যাচ থেকে অশোক স্তম্ভ সরিয়ে দিয়ে চটির সিম্বল লাগানোর জন্য! এই মন্তব্য পুলিশের প্রতি, অশোক স্তম্ভের প্রতি অপমান দাবি করে কমিশনে যায় তৃণমূল। শনিবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে এই অভিযোগ জানান তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ পাঁচ নেতা-নেত্রী ৷ বাঁকুড়ার তালড্যাংরায় বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারের সময় বঙ্গ বিজেপির সভাপতি বলেছিলেন, ‘ভোটে তো আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে লড়াই নয়। পুলিশের সঙ্গে লড়াই। পুলিশ সরিয়ে দিলে ১৫ মিনিটও তৃণমূল কংগ্রেস বলে কোনও পার্টি থাকবে না, কোনও রাজনৈতিক দল থাকবে না। আমি পুলিশকে বলতে চাই, পরিষ্কার করে শুনে রাখুন, সময় আসছে। মনে রাখবেন, চিরকাল কাহারও সমান নাই যার। কখনও নৌকার উপরে গাড়ি ওঠে। কখনও গাড়ির উপরে নৌকা ওঠে। তাই পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, যদি দালালি করতে হয়, তাহলে খাঁকি ছাড়ুন, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরে রাস্তায় নেমে রাজনীতি করুন। কত দম আছে, আমরা দেখে নেব। কিন্তু পুলিশের উর্দি পরে তৃণমূলের হয়ে দালালি করবেন না’। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আর তৃণমূলের হয়ে দালালি করলে পুলিশের যে টুপিটা পরেন, ঘাড়ে যে অশোক স্তম্ভটা পরেন, সেই অশোক স্তম্ভটা টুপি থেকে খুলে রাখুন। একটা হাওয়াই চটির প্রতীক ওখানে লাগিয়ে নিন। জনগণ বেশি সম্মান করবেন। জনগণ তো এটা অন্তত বলবে যে ফুট ফাটিয়ে তৃণমূল করছে। বুক ফুলিয়ে তৃণমূল করছে।’উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ বুধবার। সোমবারই শেষ হচ্ছে প্রচার। আর প্রচারের শেষ লগ্নে নোটিস পেলেন সুকান্ত। সোমবার তিনি নৈহাটিতে দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারে গিয়েছেন। সেই পর্ব মেটার পরে তিনি জবাবি চিঠি পাঠাতে পারেন কমিশনকে।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post