দীর্ঘ প্রায় ৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর বরানগর থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় প্রবীণ বাম নেতা তন্ময় ভট্টাচাৰ্যকে। রবিবার মহিলা সাংবাদিককে শ্নীলতাহানির অভিযোগে সোমবার প্রবীণ বাম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্যকে তলব করে বরানগর থানার পুলিশ। সেইমতো তিনি এসে থানায় উপস্থিত হন। এদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর থানা থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, বহু প্রশ্ন করেছে পুলিশ। মেয়েটির অভিযোগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে। তদন্তে আমি পূর্ণ সহযোগিতা করেছি, পরেও করবো। এই পরিস্থিতিতে তন্ময়কে বুধবার ফের বরাহনগর থানায় তলব করেছে পুলিশ। থানা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন তন্ময়। মহিলা সাংবাদিকের অভিযোগ কেন ‘অসত্য’, তা ‘প্রমাণ’ করতে গিয়ে তন্ময়ের যুক্তি, ‘‘ভদ্রমহিলার ওজন ৪০ কেজির বেশি নয়। আমার ওজন ৮৩ কেজি। ৮৩ কেজি ওজনের এক জন পুরুষ মানুষ যদি ৪০ কেজি ওজনের এক মহিলার কোলে বসে পড়েন, তা হলে সেই মহিলা শারীরিক ভাবে ফিট থাকে কি না, আমি জানি না। এটা পরিকল্পিত কুৎসা।’’ হেনস্থার শিকার হওয়ার পরেও অভিযোগকারিণী মহিলা সাংবাদিক কী ভাবে সারা দিন কাজ করলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তন্ময়। এদিকে অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে দলের অভ্যন্তরীণ কমিটি অর্থাৎ আইসিসি তদন্ত করবে। সেই তদন্ত যত দিন না শেষ হচ্ছে, তত দিন সাসপেন্ড থাকবেন তন্ময়। সিপিএম সূত্রে খবর, বুধবার রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী বৈঠকে বসবে। সেখানেই এই সময়সীমা এবং আইসিসি-তে বাইরে থেকে আরও কাউকে যুক্ত করা যায় কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথা। আরও কিছু মহিলা সাংবাদিকের সাক্ষ্যগ্রহণ করতে চাইছে সিপিএম। তাঁদের সঙ্গে তন্ময় কী ধরনের আচরণ করতেন, ইয়ার্কির নামে তা মাত্রা ছাড়াত কি না, সে বিষয়েও জানতে চায় দল।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post