কালের নিয়ম মেনেই হারিয়ে যাবে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ট্রাম। রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তী পরিস্কার জানিয়ে দিলেন আবেগ দিয়ে নয় যানজট মুক্ত যানবাহন চলাচলকেই গুরুত্ব দিতে হেরিটেজ বা ঐতিহ্যবাহী একটি ট্রামকেই চালাবে রাজ্য পরিবহন দফতর। করোনা কাল থেকেই শহরের একের পর এক রুটে বন্ধ হয়েছে এই পরিষেবা। আপাতত হাতেগোনা চারটি রুট বেঁচে আছে। এবার তাও মুছে যাওয়ার পথে। তাহলে কি আগামী প্রজন্ম দেখতে পারবে না এই যান? মডেল স্বরূপ মাত্র একটি রুটে জয়রাইড হিসাবে ট্রাম চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ধর্মতলা-ময়দানের মধ্যে তা চলাচল করবে। দেশ-বিদেশের পর্যটকরা উপভোগ করতে পারবেন ট্রামযাত্রা। সেটি বাদ দিয়ে শহরের বাকি সব ট্রামলাইনও এবার তুলে ফেলা হবে। আদালতে সেকথা জানাবে রাজ্য। এই নিয়ে পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেন, ‘এসপ্লানেড থেকে ময়দান পর্যন্ত হেরিটেজ আকারে একটি সুসজ্জিত ট্রাম থাকবে। যাঁরা কলকাতায় আসবেন তাঁরা চাপবেন। একটি জনস্বার্থ মামলা চলছে। কোর্টও জানতে চেয়েছে আমাদের সিদ্ধান্ত। বাকি কোনও রুটে ট্রাম চলবে না। লাইনও তুলে ফেলব। রাস্তা বাড়েনি। যান বেড়েছে। তাই যানজট হচ্ছে। এভাবে ট্রান চালানো অসম্ভব।’ এখানেই শেষ নয়, পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর, ছোটগাড়ির দুর্ঘটনা এরাতে শহরের বুকে থাকা ট্রামলাইন গুলোও তুলে ফেলারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই আবহে এখন একটাই প্রশ্ন, কবে কি শতাব্দী প্রাচীন এই ট্রামের জায়গা হবে শুধুই ইতিহাসের পাতায়? যেখানে ট্রাম বিদায়ের সিদ্ধান্ত পাকা, সেখানে শহরে পুজোর দিনে এসি-ট্রামে প্রতিমা দেখানোর ব্যবস্থাও তাই তুলে দিল পরিবহণ দপ্তর। গত বছরও সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমীতে এসপ্ল্যানেড-শ্যামবাজার এবং এসপ্ল্যানেড-গড়িয়াহাট রুটে এসি-ট্রামে চেপে প্রতিমা দেখার ব্যবস্থা করেছিল পশ্চিমবঙ্গ পরিবহণ নিগম। কলকাতার নস্ট্যালজিয়া সেই ট্রাম এ বার বাদ পড়ল পরিবহণ নিগমের পুজো-পরিক্রমা থেকে। ১৮৮৩ সালে কলকাতা শহর ভারতের ১৫ টা শহরে যাত্রায় শুরু করেছিল ট্রাম। তবে কালের নিয়মে গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পেরে অনেক পিছিয়ে পড়ছে ট্রাম যাত্রা। ২০১৫ সালে কলকাতায় ২৫টি ট্রাম রুট ছিল, কিন্তু এখন মাত্র তিনটি রুটে পরিষেবা সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। পরিবহন দফতরের সূত্র অনুযায়ী, অনেক রুটে কাঠামোগত সমস্যার কারণে এবং মেট্রোর কাজের জন্য ট্রাম চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের পর থেকে এসপ্ল্যানেড-খিদিরপুর রুটও বন্ধ রয়েছে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post