প্রয়াত হলেন বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ হাজি নুরুল ইসলাম। বুধবার নিজের বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন লিভার ক্যানসারে। চলতি বছর লোকসভা ভোটে বিজেপি রেখা পাত্রকে হারিয়ে বসিরহাট আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। অভিনেত্রী নুসরত জাহানের জায়গায় তাঁকে টিকিট দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। নুরুলের মৃত্যুতে শোকবার্তা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি জানিয়েছেন, সুন্দরবন এলাকার মানুষের জন্য নুরুলের সামাজিক কাজ সবসময় মনে রাখবে বাংলার মানুষ। মমতার দাবি, হাজি ছিলেন গরীবের নেতা। শোকপ্রকাশ করেছেন রেখা পাত্রও। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বড় ইস্যু ছিল ‘সন্দেশখালি’। যা নিয়ে বিজেপি ফায়দা তুলতে চেয়ে ছিল। সামনে নিয়ে আসা হয়েছিল রেখা পাত্রকে। তাঁকে বিজেপি টিকিট পর্যন্ত দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রেখা পাত্রকে শক্তিস্বরূপা বলেছিলেন। তারপরও বসিরহাট লোকসভা আসন পায়নি বিজেপি। এদিন রেখা পাত্র বলেন, “প্রত্যেকটা মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সমবেদনা জানাই। দীর্ঘদিন অসুখে ভুগছিলেন। চাইছিলাম, সুস্থ হয়ে উঠুন। এরকমভাবে চলে যাবেন, ভাবিনি। তাঁর থেকে আমার অনেক রাজনীতি শেখার ছিল। আমরা সত্যিই দুঃখিত।” দল যদি উপনির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করেন, তাহলে লড়বেন? প্রশ্ন শুনে রেখা পাত্র বলেন, “সাধারণ মানুষের জন্য আমার লড়াইটা ছিল। কে প্রার্থী হবেন, সেটা আমার দল ও সাধারণ মানুষ ঠিক করবেন। তাঁরা চাইলে আবার ময়দানে নামব। বসিরহাটের মানুষ যেমনভাবে লড়ছেন, তেমন করেই লড়ুন। আগামিদিনে তাঁদের জন্য নিশ্চয় আশার আলো রয়েছে।” রেখার কথা অনুযায়ী, এখনও বসিরহাটে লড়াই করার ইচ্ছা আছে তাঁর। তবে সবটাই নির্ভর করছে তাঁর দল বিজেপির উপর। এখন এটাও দেখার বিষয়, শক্তিস্বরূপা রেখাকে আবার টিকিট দেয় কিনা বিজেপি।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post