আরজি কর কাণ্ডের ঘটনায় ৫১ জন ডাক্তারের সাসপেনশনে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। এখনি এইভাবেই সাসপেন্ড কার্যকর না জানিয়ে দিল হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ। গত ৯ আগস্ট আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার দু মাস অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। চলছে দীর্ঘদিন আন্দোলন,মিছিল, বিক্ষোভ। প্রতিবাদের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্য তথা সারা দেশ জুড়ে। রাজ্য সরকার প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করার পর জুনিয়র ডাক্তাররা তাদের আমরণ অনশন প্রত্যাহার করেছেন। তবে আন্দোলন জারি থাকবে এমনটাই জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সোমবার ধর্মতলার অবস্থান মঞ্চে নির্যাতিতারা বাবা-মা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের অনুরোধেই জুনিয়র ডাক্তাররা তাদের আমরণ অনশন প্রত্যাহার করেছেন এমনটাই জানিয়েছেন তারা। এরই মধ্যে গত ৫ অক্টোবর আরজি কর ঘটনার দায়ে ৫১ জন ডাক্তারকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে সাসপেন্ড হওয়া ৮ জন চিকিৎসক হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, কেন সাসপেন্ড করা হয়েছে, তা তাঁদের জানানো হয়নি। সেই চিকিৎসকদের পক্ষের আইনজীবী অর্কপ্রভ সেন এদিন আদালতে বলেন, ‘কোনও কারণ ছাড়াই সাসপেন্ড করা হয়েছে। অর্ডারে স্পষ্ট নয় যে কেন বহিষ্কার করা হল।’ অভিযোগ কী ছিল, সেটা জানানো হয়নি। সোমবার এ বিষয়ে নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতিনিধিদের বচসা হয়। আরজি করে থ্রেট কালচারের অভিযোগ তুলে আন্দোলন শুরু হয়। যা চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। পরবর্তীতে আরজি কর কলেজ কাউন্সিল কালচারের সঙ্গে যুক্ত থাকা ৫১ জন চিকিৎসক সহ ডাক্তার ছাত্রকে সাসপেন্ড করেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই ৫১ জন ডাক্তার। আপতত সেই সাসপেন্ড স্থগিতাদেশ রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। সবকিছু তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নেবেন রাজ্য। এমনটাই বলা হয়েছে হাইকোর্টের তরফ থেকে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post