জেলায় জেলায় ট্যাব ‘দুর্নীতি’। বাদ নেই কলকাতাও! যাঁরা জড়িত, তাঁদের গুলির করে মারার নিদান দিলেন বাঁকুড়া তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী। বললেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরা, তাঁরা তো এই টাকা বিলি করে না। টাকা সরকারিভাবে বিলি হয়’। ট্যাবের টাকা ছাত্রছাত্রীদের অ্যাকাউন্টে যাওয়ার কথা। সেখানে অন্যদের অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে। হ্যাকাররা প্রকল্পের সাইট হ্যাক করে নিজেদের অ্যাকাউন্ট নম্বর লিখে দিয়েছে। তার ফলেই এই গরমিল হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। ইতিমধ্যেই তদন্ত করতে সিট গঠন করা হয়েছে। এই আবহেই বাঁকুড়ার প্রাক্তন সাংসদ তো বলছেন, “হ্যাকাররা অ্যাকাউন্ট নম্বর পাবে কোথা থেকে? হ্যাকার এবং তৃণমূল নেতাদের চক্র থেকেই গোটা ঘটনা ঘটেছে। আসলে এই সরকার দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। তাই যতক্ষণ না সরকার বদলাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত এই সব তদন্ত করে কিছুই হবে না।” এখানেই না থেমে আরও ক্ষোভের সুরে অরূপ বলেন, “এই কুকীর্তি করে সরকারের বদনাম করে, ছাত্রদের প্রতি প্রতারণা করে তাঁদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। বিজেপি কী বলল তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। কিন্তু অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হওয়া উচিত। ব্যাঙ্কের লোক জড়িত থাকলে সেটাও দেখা উচিত। যাঁরাই দোষী তাঁদের এমন সাজা দিতে হবে যেন সমাজ এদের বয়কট করে।” যদিও তাঁর এসব মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে জেলায়। অনেকেই বলছেন, অভিজ্ঞ রাজনীতিক ও একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে কীভাবে এমন কথা বলছেন?
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post