গ্রেফতার করা হল বাংলাদেশের ইসকন এর চিন্ময় দাসকে। সোমবার ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশ বিকেল ৫টা নাগাদ গ্রেফতার করেন চিন্ময় দাসকে। গত ৩০ অক্টোবর চিন্ময় দাস সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। নগরীর কোতোয়ালি থানায় সেই মামলা দায়ের করেন ফিরোজ খান নামে এক ব্যক্তি। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা করার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে এই মামলা করা হয়ে। এই ঘটনায় আগেই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাঁদের নাম রাজেশ চৌধুরী ও হৃদয় দাস। শুক্রবার রংপুরে হিন্দুদের এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। সেখানে সেদেশের হাজার হাজার সংখ্য়ালঘু হিন্দুরা জড়ো হন। সেখানে বক্তব্য রেখেছিলেন চিন্ময় প্রভু। বক্তব্য রাখার সময়, বাংলাদেশে বিভিন্ন হিন্দু মন্দিরের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মঞ্চ থেকে তিনি ‘হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ’ হওয়ার ডাক দেন। আজতক-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘চট্টগ্রামে তিনটি মন্দির নিয়ে ঝুঁকি রয়েছে।’ তবে হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলিমদের একাংশেরও প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি মুসলিম সম্প্রদায়ের কিছু মানুষও এই মন্দিরগুলিকে রক্ষা করেছে।’ এই গ্রেফতারি শুধু বাংলাদেশে নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের সমর্থকদের দাবি, তাঁর গ্রেপ্তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সাম্প্রতিক হামলা এবং কৃষ্ণ দাসের মতো নেতাদের ভূমিকা নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক তীব্রতর হচ্ছে। আগামী দিনে এই ঘটনা কী মোড় নেয়, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন অনেকেই। এদিকে এই প্রসঙ্গে শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস বলেন, ‘যা হয়েছে অত্যন্ত খারাপ। আমার এটাই মনে হচ্ছে পাকিস্তান যেমন হিন্দুদের সঙ্গে ব্যবহার করে থাকে বাংলাদেশও তেমনটাই করছে। বাংলাদেশে যারা হিন্দুদের সমর্থন করছে তাদেরকেই গ্রেফতার করা হচ্ছে, এটা খুব খারাপ। আমাদের সরকারের উচিত অবিলম্বে এই বিষয়টিতে নজর দেওয়া। এখনও সরকার যদি কিছু না বলে তাহলে হিন্দুদের উপর যে অন্যায় অত্যাচার হচ্ছে তা আরও বাড়বে আর এটাই চলতে থাকবে।’ ইতিমধ্যেই নিজের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস জানান, আমি কিছু কথা বলতে চাই। আমার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে। জাতীয় পতাকা অবমাননার মামলা করা হয়েছে। আমরা বিগত ৫ অগস্টের পরে সনাতনী জনগোষ্ঠীর উপর অবর্ণনীয় অত্যাচার বন্ধ করার জন্য এবং রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য। আমি মাঠে নেমেছি। আমরা সুশৃঙ্খল ভাবে আট দফা দাবির ভিত্তিতে আন্দোলন জারি রেখেছি। বিগত শুক্রবার সকলের সহযোগিতায় প্রতিবাদসভা অনুষ্ঠিত করেছিলাম। আমাদের কোন কর্মসূচি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয়, কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়, কোনও রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নয়। এই ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post