বাংলাদেশে ফিরেই দেশ পুনর্গঠনের কাজে লিপ্ত হবেন আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনা। দেশে ফিরলেই রাফাল যুদ্ধবিমান কিনবেন এমনটাই আশা ব্যক্ত করলেন হাসিনা। এবং সেই কথা তিনি জানালেন উইন কমান্ডার রাকেশ সিনহাকে। এক স্কয়ার্ডন রাফাল যুদ্ধবিমান ক্রয় করে বাংলাদেশের বিমান বাহিনীকে শক্তিশালী করে তোলার ইচ্ছা প্রকাশ করেন সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মূলত জানা গিয়েছে শেখ হাসিনা এখন যেখানে রয়েছেন সেই এয়ারবেসটিতে তার বাসভবনের পাশেই একটি হ্যাঙ্গারে তিনটি রাফাল যুদ্ধবিমান থাকে। আর ওই এয়ারবেসটিতে শেখ হাসিনার অবাধ বিচরণ। সেখানে গিয়েই তিনি উইং কমান্ডার রাকেশ সিনহাকে একদিন জানান এই রাফাল যুদ্ধবিমান সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জানতে চান। এই যুদ্ধবিমানের সক্ষমতা কতটা, ক্রয় মূল্য কত সবটাই। এমনকি শেখ হাসিনা এই যুদ্ধবিমানের ওঠানামা দেখার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। তেমনভাবে একদিন সে ব্যবস্থাও করা হয় উইং কমান্ডারের তরফ থেকে। এরপর শেখ হাসিনা তিনি বিস্তারিতভাবে এই যুদ্ধ বিমানটি কতটা ব্যয়বহুল কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে কতটা শক্তিশালী খুঁটিনাটি সবটাই বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করেন সেই সময় তরফ থেকে প্রশ্ন করা হয় কি কারনে তার এই কৌতূহল। তখনই বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তরফে জানানো হয় তিনি এক স্কোয়াডন রাফাল যুদ্ধবিমান ক্রয় করতে চান বাংলাদেশের বিমান বাহিনী পুনর্গঠন এর জন্য। অর্থাৎ দেশে ফিরলে দেশের উন্নয়নই হবে শেখ হাসিনার প্রধান লক্ষ্য।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচন ইস্যুতে। বাংলাদেশের শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চেয়ে অনড় হয়ে রয়েছে, তখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করাতে রাজি নয়। এই আবহাওয়া শোনা গিয়েছিল, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওড়িশাতে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটা আওয়ামীলীগের তৃণমূল স্তরের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার জন্যই একটি প্রচেষ্টা।
এদিকে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। এমনকি হাসিনার দলকে কোনওভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে, তার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এর আগেই ক্রান্তিকাল ছিল আওয়ামী লীগের। তখন অবশ্য শেখ হাসিনা হাল ধরে ছিলেন। কিন্তু এখন এই সংকটময় পরিস্থিতিতে এই দলের কি হয়, সেটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন। তবে সে যাই হোক, শেখ হাসিনা যদি আওয়ামী লীগ শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে থাকেন তবে, সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বর্তমান সময়ে। বলছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এর পাশাপাশি এই দলের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো উঠেছে সেগুলিকে পাশ কাটিয়ে তারা কিভাবে ফের নিজেদের জায়গা ধরে রাখে বা আদেও পারে কিনা সেটাই সবথেকে প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন।।












Discussion about this post