ভারত আক্রমণের জন্য বাংলাদেশের সাহায্য নিচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের উচ্চপর্যয়ের তিন সেনা আধিকারিক গোপন বৈঠক করলেন বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সশস্ত্র আর্মির সঙ্গে। এই বৈঠকে ভারতের সেভেন সিস্টার্স আক্রমণের ছক তৈরি করা হয়েছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রের পরিপ্রেক্ষিতে হাত পা গুটিয়ে বসে নেই ভারতও।
ভারত পাকিস্তান শত্রুতার কথা কারোরই অজানা নয়। কিন্তু ভারতের শত্রু দেশের তালিকায় যোগ হয়েছে বাংলাদেশও। ফলে এখন বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ভারতের সবচেয়ে বড় মাথা ব্যথার কারণ। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান যৌথভাবে ভারত বিরোধিতা করে চলেছে। আর শুধু বিরোধিতা করেই থেমে থাকেনি এই দুই দেশ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল আক্রমণের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে এই দুটি দেশ।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, চলতি বছর এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের মততে ভারতের কাশ্মীরে যে সন্ত্রাসী হামলা হয় তাতে নিহত হয় ২৬ পর্যটক। এরপর ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে প্রত্যাঘাত শুরু করে, যার ফলে পাকিস্তানের পরিস্থিতি একেবারে বিপর্যস্ত, যে আমরা সকলেই জানি, কিন্তু এবার জানা যাচ্ছে এই পাকিস্তান, ভারত আক্রমণের জন্য বাংলাদেশের সহায়তা নিচ্ছে। কারণ এখন চিনের পাশাপাশি পাকিস্তানও ভারতের সেভেন সিস্টার্স এর ওপর নজরদারি চালাচ্ছে বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে। গোয়েন্দা সূত্র বলছে, পাকিস্তানের তিনটি উচ্চ পর্যায়ের সেনা আধিকারিক সাক্ষাৎ করেছে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা আর্মি ও মিলিটারীদের সঙ্গে। তাদের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ এই বৈঠক চলে। পাকিস্তানি ৩ সেনা আধিকারিকের লস্কর ই তইবার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এবং তারাই বাংলাদেশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশের অন্দরে গৃহযুদ্ধ সৃষ্টি করে, পরিস্থিতি আরও অস্থির করে তুলে সাধারণ মানুষ এবং জঙ্গিগোষ্ঠীদের দিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতের সেভেন সিস্টারকে নিশানা করছে।
পাশাপাশি আরো জানা যাচ্ছে এই তিন পাকিস্তানি আধিকারিক একমাস আগের পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন এবং বাংলাদেশ কক্সবাজারে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তারা পরিদর্শনে যান এবং এই ষড়যন্ত্রের ব্লু প্রিন্ট তৈরি করে নানা রকম আলোচনা করেন রোহিঙ্গা আর্মির সঙ্গে। অর্থাৎ কিভাবে বাংলাদেশকে আরো অস্থির ভারতের চাপ সৃষ্টি করে ভারতকে আক্রমণ করা যায় সেই ষড়যন্ত্র এর জাল বোনা হয়েছে পাকিস্তানি আধুনিকদের বাংলাদেশ সফর ও বৈঠকের মাধ্যমে। এর আগে চীন ভারতের সেভেন সিস্টার্সের ওপর আক্রমণ করার চেষ্টা চালিয়েছিল, আর সেটি বাংলাদেশের জন্য একটি আন্তর্জাতিক টার্গেট ছিল। বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে দূরত্ব যত কমিয়েছে ভারত ততই বাংলাদেশের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুসের শাসনকালে ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে বাংলাদেশের। সেটা বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেই হোক বা অন্যান্য কূটনৈতিক ক্ষেত্রে।
কিন্তু সাম্প্রতিককালে পাকিস্তানি আধিকারিকরা বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের কাজে লাগিয়ে যেভাবে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বীজ বপন করছে তা সাউথ ব্লাক বা দিল্লির জন্য প্রধান মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
কিন্তু এই পরিস্থিতিতে ভারত কি হাতপা গুটিয়ে বসে আছে? না, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অপারেশন সিঁদুরের একশন শুরু হওয়ার পর থেকেই ভারত রাশিয়া ইসরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে একের পর এক গোপন বৈঠক করে তাদের ডিফেন্স সেক্টর কে আরো শক্তিশালী করে তুলছে। একাধিক ইলেকট্রনিক্স এবং s400 এর পর s500 প্রতিস্থাপন করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে ভারতের তরফ থেকে। এছাড়াও সেভেন সিস্টার্সে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং চিকেনস নেকে s400 মোতায়েনের আলোচনা চলছে সরকারের তরফে। হাইপার ক্রস মিসাইলের পাশাপাশি শত্রুপক্ষকে সনাক্ত করার জন্য বিভিন্ন রাডার সিস্টেমের প্রযুক্তি করনের কাজ শুরু করেছে ভারত।












Discussion about this post