হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের গোবিন্দ কাটি গ্রামের মালিকান ঘুমটির প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা কোথাও হাটু সমান কাঁদা, কোথাও মাঝখানে জলে ভরা রয়েছে, কোথাও কোমর সমান আবার হাঁটু সমান। জলমগ্ন রাস্তা, অসুস্থ রোগীকে কাঠের দোলনা চাপিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হয়।
হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের গোবিন্দ কাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০৮ নম্বর বুথের মালিকান ঘুমটির রাস্তার অবস্থা বেহাল দশাতে পরিণত হয়েছে। জলমগ্ন রাস্তায় প্রতিদিনই কোনো না কোন সমস্যায় পরছে সাধারন মানুষ। অসুস্থ রোগীকে কাঠের দোলনা চাপিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হয়। জমা জলের কারনে সাপের উপদ্রব পোকামাকড় বাড়ছে এলাকা জুড়ে। এ রাস্তা যেন এক মরণ কুপ বয়স্ক মহিলা থেকে বৃদ্ধ মানুষ স্কুল ছাত্রছাত্রীরা ও প্রসূতি মায়েরা সমস্যার সম্মুখীন হয় রোজ। বৃষ্টি হলেই স্লিপ করে পড়ে দুর্ঘটনার কবলে পরেন রাস্তা ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষ। প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা কোথাও হাটু সমান কাঁদা, কোথাও মাঝখানে জলেভরা রয়েছে কোমর সমান কোথাও আবার হাঁটু সমান। এই রাস্তার দাবীতেতে একাধিকবার ব্লক প্রশাসনে ও বিধায়ককে জানিয়েছে তাও কোন সুরাহা মেলেনি। দীর্ঘদিন এই সমস্যা এলাকার মানুষ একত্র হয়ে বিক্ষোভ দেখায়।
এলাকার মানুষের অভিযোগ, হিঙ্গলগঞ্জের বিধায়ক যখন দেবেশ মন্ডল প্রধান ছিলেন তখন থেকেই বারে বারে শুধু এই রাস্তা তৈরীর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কিন্তু কোন ফল হয় নি। একাধিক বার এই রাস্তা ধরে তিনি বিভিন্ন সভা মিছিলে যাওয়ার সময় আমরা তাকে বললেই তখন বলে এই হবে। এতদিন যাবৎ শুধু প্রতিশ্রুতি ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি। দেবেশ মন্ডল যখন হিঙ্গলগঞ্জের বিধায়ক হয় তখন ফুলের মালা পরিয়েছি আর খালি আশ্বাস আর আশ্বাস পেয়েছি কিন্তু রাস্তা আর হয় নি।
হিঙ্গলগঞ্জের বিধায়ক দেবেশ মন্ডল বলেন, সবটা সাংবাদিকদের বানানো কিছু জিনিস তোমরা সব আগে বলে দিয়েছো তারপর ওরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে ওখানে তো রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে বিজিপির রাজ্য মুখপাত্র নেতা দীপঙ্কর সরকার বলেন, হিঙ্গলগঞ্জ বিধায়কের বাড়ির পাশে এতো বেহাল রাস্তা তা কখনো দেখিনি। তৃণমূল সরকারের জামানায় কি কাজ হচ্ছে সেটা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছেন, আগামী দিনে মানুষ তার মোক্ষম জবাব দেবে।












Discussion about this post