লক্ষ্য ২০২৬। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠে নেমেছে শাসক থেকে বিরোধীরা। এরমধ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতির জেলায় বিশেষভাবে নজর দিচ্ছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা নেতৃত্বকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলার ৬টি বিধানসভায় জয় নিশ্চিত করতে হবে। আগে কোথায় কোথায় কেন হার, সেই সমস্ত দিক খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন অভিষেক। সূত্রের খবর এমনটাই। অর্থাৎ বিরোধীদের অলআউটের বার্তা দলের সাধারণ সম্পাদকের। মত ওয়াকিবহাল মহলের।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দক্ষিণ দিনাজপুর ছোট জেলা হলেও বাংলার রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই জেলাটি বরাবরই সুকান্ত জেলা নামে পরিচিত হয়ে এসেছে। যদিও তিনি এখন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। এখানে তৃণমূল জোরদার যে লড়াই দেবে তার বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ এটা শাসক দলের কাছে প্রেস্টিজ ফাইট। এরমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ৬ এর লক্ষ্য মাত্রার স্থির করে দেওয়াতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করছে, সেটা বলাই বাহুল্য।
২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে ওই জেলাতে তিনটি আসনে জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। গত লোকসভা নির্বাচনে তিনটিতে জেতে তৃণমূল এবং ৩টিতে জেতে বিজেপি। কেন হার, কোথায় সমস্যা রয়েছে, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে কিনা, সেগুলি পর্যালোচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে এমন বার্তা পাওয়ার পর কি বলছেন জেলা নেতৃত্ব বিপ্লব মিত্র, শুনুন
উল্লেখযোগ্য ভাবে, ২০১১ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ছটি আসনের মধ্যে ৫টি আসনই জিতেছিল তৃণমূল। জানা যায়, কুশমন্ডি আসনে জয়ী হন বাম প্রার্থী নর্মদা চন্দ্র রায়। এদিকে তৃণমূলের এই বার্তার পর কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। কি বলছেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ শুনুন
বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। দলের ফলাফল আরও যাতে বৃদ্ধি পায়, তারই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্যের শাসক শিবির। তারমধ্যে জেলা ধরে ধরে পর্যালোচনা করা নির্দেশ দিচ্ছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এদিকে বিরোধী রাও নিজেদের লড়াই দিতে মাঠে নেমেছে। ফলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন যে টক্করে টক্করে লড়াই হবে, সেটা বলাই যায়।












Discussion about this post