Bangladesh China relationship
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে নির্বাচনের জন্য চাপ দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে মহম্মদ ইউনূস চাইছেন, চীন শিবিরে যোগ দিতে। যাতে নির্বাচন পেছানো যায়। এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বুঝিয়ে দিতে চান, তিনি চীন শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এরমধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম-সহ এনসিপির ৮ সদস্যের প্রতিনিধি চীন সফরে গেলেন। এর আগে চীন জাতীয় নাগরিক পার্টির সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেনি। বরং দেখা গিয়েছিল বিএনপি এবং জামাইয়েতে ইসলামীর সঙ্গে চীনের যোগাযোগ। বিএনপি’র সঙ্গে সর্বশেষ সফরটি হয়েছিল, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। কারণ চীন ভালো করেই জানে, চীনের সবথেকে আগ্রহ তিস্তা প্রকল্পটি। বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারা চীনকে সেঅ প্রকল্পটি দেবে। এমনকি এর আগে বিএনপি সেটা ঘোষণাও করেছিল। কিন্তু তার আগেই মহম্মদ ইউনূস ঘোষণা করেছেন, জানুয়ারি থেকে চীন তিস্তা মহা প্রকল্পের কাজ শুরু করবে। এদিকে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন। অর্থাৎ চীন জানে, মহম্মুদ ইউনূস একটা মহা প্রকল্প এবং ৫০ বছরের জন্য বাংলাদেশের চীনের অবস্থান নিশ্চিত করেছে। অর্থাৎ মহম্মদ ইউনূস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। চীন থেকে বিমান কিনবেন তিনি। চীনের ১২টি জে ১০সি জঙ্গি বিমান কিনতে চায় বাংলাদেশ। এই সমঝোতাটি ইউনূস করে এসেছিলেন গত বছর মার্চ মাসে সি জিং পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করে। এরপর দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক চলছিল। এটিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপন বৈঠক হয়েছে বাংলাদেশের। যেটা এখন ওপেন সিক্রেট। সেখানে নাকি বলা রয়েছে, বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে যুদ্ধ অস্ত্র কিনবে, সেটার জন্য অনুমতি নিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের। ফলে ১২টি যুদ্ধবিমান চীন থেকে যে কেনার ঘোষণা দিয়েছেন ইউনুস, সেটা একরকম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে লালমনিরহাট বিমানবন্দর। যেটা দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকার পর নতুন করে সাজাবার ঘোষণা দিয়েছে ইউনূসের প্রশাসন। শুধু তাই নয়, লালমনিরহাট বিমানবন্দরের কাজে চীন সাহায্য করবে, তেমনটাই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এদিকে ভারতের সেভেন সিস্টার্স থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লালমনিরহাট বিমানবন্দর। যেটা মোটেই ভারত চায় না, চীনের সাহায্যে হোক এই বিমানবন্দর। ফলে আন্তর্জাতিক একটি সমীকরণের দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি রাশিয়া, চীন এবং ভারতের সঙ্গে বৈঠক হতে চলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্ যেমন দ্রুত নির্বাচন চেয়ে নতুন সরকার গঠন করাতে চায় বাংলাদেশে। কারণ ট্রাম্প জানেন, ইউনূসকে দিয়ে কোনও কার্যসিদ্ধি হবে না। অন্যদিকে ভারত থেকে চীন চায়, নির্বাচন দেরি করে হোক। কারণ এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ফলে পরিস্থিতি সামলে নির্বাচনের পক্ষে চীন এবং ভারত। এদিকে জামাত এবং এনসিপিও চীনের পক্ষে অন্য সীমকরণে। তারা চায়, তাদের রাজনৈতিক দল যতদিন পর্যন্ত মানুষের মনে জায়গা না করতে পারছে, নির্বাচন না হোক। অন্যদিকে মহম্মুদ ইউনূস চাইছেন, চীনের মনোভাবকে সঙ্গী করে এগোতে। তাই মার্কিন যক্তরাষ্ট্রকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চীনের দিকে ঝুকছেন মহম্মুদ ইউনূস।












Discussion about this post