এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার হাত থেকে বাঁচতে মোবাইল ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন পুকুরে আর এবার জীবনকৃষ্ণের মুর্শিদাবাদের বাড়িতে কেন্দ্রীয় সংস্থা হানা দিলে ইডির হাত থেকে বাঁচতে এক নর্দমায় তাঁর মোবাইল ফেলে দিলেন। তারপরেও শেষ রক্ষা হয়নি । তাকে ধরে ফেলা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় পাশাপাশি তার ড্রাইভারকেও বাদ দেওয়া হয়নি। জীবনকৃষ্ণের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল টাকা নিয়ে চাকরি পাইয়ে দেবে বলে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি নাকি সেই টাকা নগদে নিতেন। তাছাড়াও ব্যাংক একাউন্টে ধাপে ধাপে টাকা নিতেন বলে জানা গিয়েছে। চাকরি করিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি একটি রেট চার্টও বানিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। এবার হাটে হাড়ি ভাঙতে তাঁর বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে নেমেছে ইডি।
ইডির সূত্র অনুযায়ী, প্রথম দফায় সিজিও কমপ্লেক্সে কুড়ি জনকে তলব করা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে তাদের তলব করছে ইডি। প্রায় শতাধিক প্রার্থীর থেকে বিধায়ক টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করছে ইডি, এই কুড়ি জন তারই মধ্যে। এবং পাশাপাশি কার মাধ্যমে কিভাবে ওই টাকা লেনদেন হয়েছিল তা জানতে চায় ইডি। পাশাপাশি কতজন প্রার্থী টাকা দিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা সেই তালিকা ও তৈরি করে ফেলেছে। তদন্তে ঠিকঠাকভাবে সহায়তা করছেন না জীবনকৃষ্ণ ইডি তরফ থেকে জানা গিয়েছে।
ঠিক কত টাকা কামিয়েছে, সে বিষয়ে জানতে চায় ইডি জীবনকৃষ্ণের কাছ থেকে। জীবনকৃষ্ণের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে আদালতকে জানিয়েছে ইডি। জীবন কৃষ্ণের নামে পাওয়া গিয়েছে অনেক জমি জায়গা ,ফ্ল্যাট এবং তেল কল।
এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর জীবনকৃষ্ণের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন যে ,দিনের পর দিন যে টাকা কামিয়েছে চাকরির নাম করে সেই টাকা আলুর ব্যবসায় খটিয়েছেন জীবনকৃষ্ণ।
মুর্শিদাবাদের বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের দাবি তাদের পারিবারিক ব্যবসা রয়েছে সেই টাকারে লেনদেন হয়েছে।












Discussion about this post