ANC – এসএসসি ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিলের পর থেকে পর একাধিক মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে। যা নিয়ে বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার প্রশ্ন তুললেন, ‘দাগিদের নামের তালিকা এত কম কেন’? আদালতে দাঁড়িয়ে এর জবাবও দেয় কমিশন। শনিবার স্কুল সার্ভিস কমিশন ১,৮০৬ জন অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করে।
শাসক দলের অনেক নেতা-নেত্রী বা নেতা-ঘনিষ্ঠদের নাম ও রয়েছে। তবে এই তালিকার বাইরে কি আর কোনও অযোগ্য চাকরিপ্রার্থী নেই? প্রশ্ন তোলেন আদালটে আইনজীবী ফিরদৌস শামিম।
সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিল, যার ফলে কমিশন প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে একটি ছোট তালিকা প্রকাশ করতে বাধ্য হয়।
এসএসসি নিয়ে একের পর এক মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। নতুন করে যে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে সেই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করেও মামলা হয়েছে শীর্ষ আদালতে। সোমবার তেমনি একটি মামলা চলছিল বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চে। সেখানে শুনানির সময় আদালত বলে অনেক চিহ্নিত দুর্নীতিগ্রস্থদের নাম তালিকায় নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয় কমিশনকে।
বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ প্রশ্ন করে, সিবিআইয়ের তালিকায় আরও বেশি নাম ছিল। এখানে কেন এত কম কেন পাল্টা কমিশনের জবাব, সিবিআই তালিকায় যাদের নাম ছিল, সেই তালিকার সবাইকে নিয়োগ করা হয়নি। যে দাগিরা নিযুক্ত হয়েছিল, এই তালিকায় শুধু তাদের নামই আছে।
সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়, যার ফলে কমিশন প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে একটি ছোট তালিকা প্রকাশ করতে বাধ্য হয়।
তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার আগে প্রার্থীকে ‘দাগী’ বলে প্রমাণ করতে হবে। এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং সমস্ত প্রার্থীর বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ না থাকায়, কমিশন কেবলমাত্র কিছু প্রার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পেরেছে। দুর্নীতির সাথে যুক্ত সকল প্রার্থীকে চিহ্নিত করা কঠিন, এবং এর জন্য আরও তদন্তের প্রয়োজন।
এর আগে বিচারপতিদের বেঞ্চ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বার বার সতর্ক করেছিল নতুন পরীক্ষায় যেন কোনো অযোগ্য বসতে না পারে। আজ আরো একবার এই শুনানিতেও কমিশনকে এই বিষয়ে সতর্ক করলো শীর্ষ আদালত। আদালত কড়া বার্তা দিয়ে বলেছে, কোনও অযোগ্য যেন পরীক্ষায় বসতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনজীবীরাও জানিয়েছেন, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।












Discussion about this post