সামনেই রয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচন। হাতে আর বেশী দিন সময় নেই। বলা যেতে পারে একমাসও সময় নেই। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে রাজনৈতিক মহলে পারদ তত চড়ছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতিও ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে। বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস একের পর এক হুঙ্কার দিচ্ছেন। অপরদিকে আওয়ামী লীগ তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না, জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। যা নিয়ে বাংলাদেশের অন্দরে চর্চার শেষ নেই। মূলত শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ ক্রমশ অরাজকতার দিকে এগিয়েছে। বিশেষ করে গত বছর ১২ ডিসেম্বর ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর পরিস্থিতি আরও বদলাতে শুরু করে। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা ক্রমেই বাড়তে থাকায় নয়াদিল্লির উদ্বেগও চরম পর্যায়ে পৌছে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই দেশেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশে এখন পুলিশ ঘোরাঘুরি করছে। অনেক জায়গায় ঘিরেও ফেলা হয়েছে পুলিশের তরফ থেকে। নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ যেন অন্য এক রূপ নিয়েছে। পরিস্থিতি দেখে নয়া পদক্ষেপ ভারতের বিদেশমন্ত্রকের। পরিস্থিতির ওপর বিচার বিবেচনা করে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের পরিবারের সদস্যদের ফিরে আসতে বলা হয়েছে। তবে ঢাকার হাই কমিশন-সহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেটের ভারতীয় মিশনগুলো আগের মতোই খোলা থাকছে। একইসঙ্গে সেখানে কাজও চলছে। জরুরি প্রয়োজনে বা ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তায় দূতাবাস কর্মীরা ২৪ ঘণ্টা তৎপর থাকবেন বলে জানানো হয়েছে। ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনকে ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এবার প্রশ্ন আসতেই পারে, ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং মানে কী?
কূটনৈতিক পরিভাষায় ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’ বলতে বোঝায়, সংশ্লিষ্ট আধিকারিক একা কর্মস্থলে থাকবেন, কিন্তু তাঁর স্ত্রী, সন্তান বা পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সেখানে বসবাস করবেন না। এই ব্যবস্থা সাধারণত নেওয়া হয় যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা, সন্ত্রাসপ্রবণ অঞ্চল বা চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করছে যে, পরিস্থিতিকে ভারত কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা এবং চরমপন্থী গোষ্ঠীর তৎপরতা বৃদ্ধির আশঙ্কায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। বিশেষ করে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান হাদি হত্যার পর চট্টগ্রামে ভারতীয় মিশনে বিক্ষোভ ও অস্থিরতার ঘটনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র তিনি বলেন, এটি একটি সাময়িক ও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ, যার লক্ষ্য হলো প্রতিকূল পরিবেশে কর্মকর্তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ভারত নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এই নয়া পদক্ষেপ মূলত পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবেই করা হয়েছে। ভারতের তরফ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি যদি খারাপের দিকে যায় তাহলে অন্যরকম আবারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দেশের কূটনৈতিক দায়িত্ব স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এখন পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয় সেদিকেই নজর থাকবে।
ক্ষেত্র প্রস্তুত। এবার ভোটের মুখে সম্মুখ সমরে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও তদারকি সরকার। আগামী ২৩ জানুয়ারি দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে চলেছেন...
Read more












Discussion about this post