রাত পোহালেই বাংলাদেশে নির্বাচন। মুহাম্মদ ইউনূস বিদায় নেওয়ার আগে বাংলাদেশকে ডুবিয়ে রেখে যাচ্ছেন। এমনিতেই শেখ হাসিনার আমল থেকে বাংলাদেশ ঋণে জর্জরিত। তার ওপরে আবার নতুন একাধিক প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছেন ইউনূস। কিন্তু এই টাকা দেবে কে? ঋণের ওপর ঋণ ক্রমাগত বাড়ছে বাংলাদেশের। একের পর এক ঋণ ন্ওয়ার ফলে আবারও ইউনূসকে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তার সরকারেকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিদবেদননুযায়ী, মুহাম্মদ ইউনূস যাওয়ার সময় ৬৪ টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। এর জন্য মোট খরচ হবে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা। ৬৪ টির মধ্যে রয়েছে ৪০ টি প্রকল্প। প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে খরচ হবে ৭৯ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। এমন এরকম অনেক প্রকল্প রয়েছে যেটার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। আবার অনেক প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে। হাসিনা সরকার যাবার পর ইউনূস প্রায় ১৩৫ টি নতুন প্রকল্প করেছে। খরচ হয়েছে প্রায় ২লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। সব থেকে বেশী খরচ হয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতের প্রকল্পে। স্বাস্থ্য খাতে তুলনামূলক কম বিনিয়োগ হয়েছে। তবে যুবকেরা কী করে খাবে অর্থাৎ কর্মসংস্থান সেই বিষয়ে কোনও রকম জোর দেওয়া হয়নি ইউনূসের আমলে। এর মধ্যে তৈরী হয়েছে আরও একটি বিতর্ক। সেই প্রকল্পে সবথেকে বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রামকে।
সেখানে ২১ টি জেলার জন্য কোনও প্রকল্প বরাদ্দ করা হয়নি ইউনূসের থেকে। কেন শুধু চট্টগ্রামকে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হল, সেই প্রশ্নের উত্তরে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, যে ঢাকায় জল ও নিকাশি ব্যবস্থা চট্টগ্রামের তুলনায় অনেক ভাল। এখন রফতানি বাড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিকাঠামোর উন্নতি করা হচ্ছে। সেই কারণেই চট্টগ্রামে বরাদ্দ বেশি। দেখুন ঋণের দায়ে বাংলাদেশকে ফাসিয়ে দিয়েছেন। পরবর্তী যে সরকার আসবে সেই সরকারকে এর খেসারৎ দিতে হবে। দেখুন কে ক্ষমতায় আসবে সেটা তো অনেক পরের প্রশ্ন। এত কোটি কোটি টাকা ইউনূস যে ঋণ নিয়েছে তার কী হবে। যে হোটেল থেকে ইউনূস খাবার খান সেই হোটেলেও রয়েছে টাকা বাকি। ওই একই হোটেল থেকে খাবার খেতেন শেখ হাসিনাও। শেখ হাসিনার টাকাও দিতে রাজি হননি মুহাম্মদ ইউনূস। প্রায় ৩৮ লাখ টাকার কাছাকাছি বাকি আছে। বারংবার হোটেল থেকে চিঠি পাঠানো হলেও ইউনূস নাকি সেই চিঠির কোনও রিপ্লাই দেননি। চিঠি দেওয়ার পর কোনও সমস্যার সমাধান নেই। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়বেলায় চিঠি পাঠাল আদানি গোষ্ঠী। যার জেরে আবার প্রকাশ্য়ে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে চলা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আর্থিক সংঘাত। যে মামলার নিষ্পত্তি হয়নি আজও। সম্প্রতি বকেয়া মেটানোর দাবিতে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বোর্ডকে চিঠি পাঠিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। বকেয়া শোধ না হলে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তাঁরা। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৯ জানুয়ারি আদানি পাওয়ার লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট অবিনাশ অনুরাগ। তাতে বলা হয়েছে, বকেয়ার পরিমাণ ৫৭ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার । এর মধ্যে ৩০ কোটি ডলারের বকেয়া নিয়ে পিডিবির সঙ্গে তাদের কোনও বিরোধ নেই। পিডিবির চেয়ারম্যান মহম্মদ রেজাউল করিম প্রথম আলো-কে বলেন, “রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ায় আদানির বিল শোধ করার পরিমাণ একটু কমেছে। বিল শোধের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। মার্চ থেকে এটি বাড়তে পারে।” ২০১৭ সালে আদানি গোষ্ঠীর পরিচয় হয়েছিল। এত টাকা যে বাকি রয়েছে সেই টাকার কী হবে ? কোথা থেকে আসবে এত টাকা প্রশ্ন থেকেই যায়।












Discussion about this post