প্রতিটা স্কুলে গরমের ছুটি পরে গেছে। এই গরমের ছুটিতে পড়ায় মন বসেনা শিশুদের। এখন ডিজিটাল যুগে বাচ্চারা বেশি স্মার্ট ফোন ও মোবাইল গেমে আবদ্ধ। তাই শিশুদের ভবিষ্যত ও নষ্ট হচ্ছে দ্রুত। বাচ্চাদেরকে বইমুখি করে তুলতে আমরা অনেক চেষ্টাই করি। আমাদের বেড়ে ওঠা, মস্তিষ্কের বিকাশ, কল্পনাশক্তি গড়ে ওঠার জন্য পড়ার অভ্যাস তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেবল জ্ঞানের ভাঁড়ার বাড়াতেই নয়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতেও শিশুদের পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।তাই অভিভাবকদেরকে এ বিষয়ে জোর দেওয়া দরকার।
তবে এখন বেশির ভাগ্য শিক্ষাই ফোন কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে লকডাউন পিরিয়ড থেকেই অনলাইন ক্লাস বেশি জনপ্রিয় হয়ে পড়েছে। এখন স্কুল হোক কিংবা টিউশন অফলাইনের সাথে সাথে অনলাইন ক্লাস কেও সমান ভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্কুল থেকে এসে টিউশন পড়া , তারপর গানের স্কুল , ড্রইংয়ের ক্লাস, নাচের ক্লাস করতে হয় তাদের। অনেকে শিশুরা আবার সব কিছুর সাথে অভিনয় বা নাটকের ক্লাসেও যায়। নানা রকম কারণে সময় পায়না তারা, ফলে কোনো রকমে পাঠ্য বইয়ের পড়া টুকু করেই উঠে যায়, গল্পের বই বা অন্যান্য বই পড়ার সময় টুকু তাদের থাকেনা। ফলে নতুন জেনারেশনের বেশির ভাগ শিশুই বই বিমুখ হয়ে উঠছে ক্রমাগত।তাই বিভিন্ন উপায়ে তাদের বইমুখী করে তুলতে পারেন, রইল বিস্তারিত।
পছন্দের বই পড়তে দিন
যে বই পড়তে ভাল লাগছে, সেই বই পড়তে দিন তাদের। জোর করে অন্য বই চাপিয়ে দেবেন না। তা হলে বই পড়ার স্বাভাবিক ইচ্ছেটাও থাকবে না শিশুদের।
বই পড়ার জায়গাটি সুন্দর করে সাজান
বই পড়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট ভালো পরিবেশ দরকার । বই পড়ার জন্য যে জায়গাটি তৈরি করবেন দেখবেন সেটি যেনো টেলিভিশন বা কম্পিউটার থেকে একটু দূরত্বে থাকে। না হলে শিশুর মনোযোগ যাবে ও দিকে। বই পড়ার জায়গাটি সুন্দর করে সাজিয়ে তুলুন।
ছবি-সহ বই কিনে দিন
বাচ্চাদেরকে ছবিসহ বই কিনে দিতে পারেন। ছবির নীচে নীচে লেখা থাকলে শিশুরা সেই লেখা পড়ে, ছবি দেখার আগ্রহ নিয়ে। এই ভাবে প্রথমে ওকে বইয়ের সঙ্গে পরিচয় করান।
আপনিও বই পড়ুন
শিশুরা যা দেখে, তাই করতে চেষ্টা করে। অন্যকে দেখে তারা অনুপ্রাণিত হয়। অবসর সময় মোবাইল নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি না করে বই নিয়ে বসতে পারেন। আপনি যদি আপনার শিশুর সামনে বই পড়েন, তাহলে তারাও অনুপ্রাণিত হয়ে সেই কাজটি করতে থাকবে। অর্থাৎ তারাও আস্তে আস্তে বইমুখী হবে।











Discussion about this post