বাংলাদেশের দুর্দিনে ঝাপিয়ে পড়ল ভারত। বাংলাদেশ যতই ভারত বিদ্বেষ করুক না কেন। ভারতের মানবিক মুখ ধরা পড়ল। জানা যায়, দুজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক- যাদের বার্ন ইউনিটে কাজ করার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে, তারা নার্সদের একটি ছোট টিম নিয়ে মঙ্গলবার ঢাকায় পৌঁছে যান। এমনকি পাঠানো হয় মেডিকেল ইকুইপমেন্ট। প্রয়োজন পড়লে আরও চিকিৎসকরা যাবেন। এমনকি বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির পর ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রী ফোন করেন মহম্মদ ইউনূসকে। অর্থাৎ পাশে শুধু রয়েছে তাই নয়, ভারত নিজে থেকে সাহায্য করছে। এরপরও কি ভারত বিরোধীতা করবেন মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার? তিনি কি এবার ক্ষমা চাইবেন ভারতের কাছে? অনেকে বলছেন, ভারতের মাস্টার্সস্ট্রোকে দিশেহারা ইউনূস? তিনি এবার কোথায় পালাবেন?
যখন অপারেশন সিঁদুর চলে, তখন কূটনৈতিক স্তরে বৈঠক করেছিলেন পাকিস্তানের সঙ্গে। আজ সেই সচিবরা কোথায়? তারা কোথায় কথায় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে দখল করার কথা বললেন? দক্ষিণ এশিয়ার কোনও রাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে নেই তাদের দুর্দিনের সময়। এমনকি নেই পাকিস্তান, নেই চিনও। কিন্তু ভারত তাদের মানবিক মুখ হারায়নি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে তিনি পাশে রয়েছেন। অর্থাৎ ভারত বিরোধীতা করলেও তাদের দুর্দিনের যে ভারত ঝাঁপাবে, সেটা বলাই বাহুল্য।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। মাইলস্টোন কলেজের উপর এফ সেভেন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ২৮ জনের। এমনকি আহত হয়েছেন বহু মানুষ। তাদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। ফলে বিমান দুর্ঘটনায় ছাত্ররা আন্দোলন তৈরি করেছে। সচিবালয়ের ভিতর বিক্ষোভ শুরু করে তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খায়। সেনাবাহিনীর দিকে তারা আঙ্গুল তুলছে। সেনাপ্রধান কে দেখাও যাচ্ছে না। তবে কি গোপালগঞ্জের ঘটনায় মোর ঘোরানোর জন্যই মেটিকুলাস ডিসাইন করে এই দুর্ঘটনা? প্রশ্ন উঠছে।
এমনকি জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত কতজন বিমান দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন, তার কোনও তালিকা দেয়নি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ফলে বাড়ছে চরম ক্ষোভ। সে দেশেরই বহু মানুষ বলছেন, দেশের এই পরিস্থিতিতে রাজনীতিটা বাদ দিয়ে মানবিক মুখ হয়ে মানুষের জন্য কাজ করাটাই শ্রেয় মহম্মদ ইউনূসের। কিন্তু তিনি সেটি না করে উল্টে আওয়ামী লীগ নিয়ে পরে রয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা যে চারটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, সেই বৈঠকের পর দেখা গিয়েছে আসিফ নজরুল বিমান দুর্ঘটনার থেকে বেশি আওয়ামীলীগ নিয়ে বেশি কথা বলছেন। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, এই সরকার আসলে দেশের সরকারের জন্য কি করছেন!












Discussion about this post