আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার পালা কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র তথা কাশীপুর বেলগাছিয়ার বিধায়ক অতীন ঘোষের । স্থানীয় বিধায়ক হওয়ায় ওই হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অতীন ঘোষ। রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকে একাধিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল, যার সঙ্গে হাসপাতালে দুর্নীতির যোগ পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর।প্রথম থেকে আরজি করের দুর্নীতি প্রসঙ্গে বেশ কয়েকবার অতীন ঘোষের নাম সামনে এসেছে বলে জানা যায়। এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে এখনো পর্যন্ত তিনি জেলেই রয়েছেন। আরজি করে ধর্ষণ এবং খুনের পর আর্থিক দুর্নীতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
জানা যাচ্ছে ,শুক্রবার দুপুর দুটোর পর অতীন ঘোষের উত্তর কলকাতার বাড়িতে পৌঁছায় তিনটি সিবিআই এর গাড়ি। সাথে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। পাশাপাশি জানা গিয়েছে ,আরজি করের দুর্নীতি কান্ডের তদন্তের জন্য অতীন ঘোষের বাড়িতে সিবিআই এর আধিকারিকরা গিয়েছিলেন। এর সাথে জানা গিয়েছে,অতীন ঘোষকে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল যে তার বাড়িতে সিবিআই আধিকারিকরা যাবেন। শুক্রবার দুপুরে অতীন ঘোষের শ্যামবাজারের বাড়িতে পৌঁছায় সিবিআই এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা আরজি কর কান্ডের দুর্নীতি প্রসঙ্গের তদন্তের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করতে। এর আগে শ্রীরামপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতেও হানা দিয়েছিলো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।
সন্দীপ ঘোষ সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে আরজি কর আর্থিক দুর্নীতির মামলায় চার্জ গঠন করেছে সিবিআই এবং আলিপুর আদালতে এই মামলা বিচারাধীন।
১৪আগস্ট,আরজি করার ঘটনার পর রাজ্যে জুড়ে যখন প্রতিবাদের ঢল নেমেছিল সেই সময়ে একদল দুষ্কৃতী হাসপাতালে তান্ডব চালিয়েছিল এবং সাথে ভাঙচুর চালিয়েছিল হাসপাতালে , সেই সময়ও অতীন ঘোষের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলেছিল বিরোধীরা সেই ভাঙচুরের ঘটনার তদন্ত করছে কলকাতা পুলিশ।
২০২৪ সালের ৯ই আগস্ট আরজি করে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুন করা হয়েছিল এবং সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক কে মূল অভিযুক্ত হিসাবে সাব্যস্ত করে সাজা দেওয়া হয়।এবং সেই ঘটনাটির পাশাপাশি আর্থিক দুর্নীতির মামলাটিও এখনো চলছে।











Discussion about this post